বাকৃবির গবেষণায় এখন থেকে ভাতা পাবে স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরাও

মো. আরিফুল ইসলাম, বাকৃবি থেকে:

বিজ্ঞাণ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের গবেষণা প্রকল্পের মনিটরিং ও ইভালুয়েশন কার্যক্রম এর উদ্বোধনী গতকাল বুধবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সরাসরি সম্পৃক্ত করতে ভাতাসহ স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী যুক্ত থাকবেন।

বাউরেসের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হকের সঞ্চালনায় এবং পরিচালক ড. এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো- ভিসি অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমে (বাউরেস) ১১৩ টি গবেষণা প্রকল্পের অর্থায়ন করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বাউরেসের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গবেষণা প্রকল্পের মনিটরিং এবং ইভালুয়েশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, কৃষি সেক্টরে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গুণগত মানের গবেষণার বিকল্প নেই। আর দেশে কৃষি সেক্টর উন্নয়নে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অবদান সবচেয়ে বেশি। তাই বাকৃবিতে ১১৩ টি গবেষণা প্রকল্পের অর্থায়ন করেছে মন্ত্রনালয়। যা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি।

এদিকে বাউরেসের তত্ত্বাবধায়নে ২০১৯-২০ অর্থবছরে দুই বছর ও এক বছর মেয়াদী মোট ৮০টি গবেষণা প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে প্রকল্পগুলোর কাজ শুরু হবে। এবারই প্রথম গবেষণায় শিক্ষকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতে প্রতিটি প্রকল্পে একজন করে স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী যুক্ত থাকবে। গবেষণা বাবদ প্রতিটি শিক্ষার্থীকে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হবে জানিয়েছেন বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. এম.এ.এম ইয়াহিয়া খন্দকার ও সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহম্মদ মাহফুজুল হক।

এ নতুন অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সহায়তায় ছয় কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে ইউজিসি। বাউরেসের তত্ত্বাবধায়নে এ বছর ১৫৯টি প্রকল্পের মধ্যে ৮০টি দুই বছর (৭৩টি) ও এক বছর (৭টি) মেয়াদী প্রকল্প নির্বাচন করা হয়। যার মধ্যে কৃষি অনুষদে ৩২টি, ভেটেরিনারি অনুষদে ১৯টি, পশুপালন অনুষদে নয়টি, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদে ১১টি, কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদে পাঁচটি ও কৃষি অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদে চারটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  

Tags: