কাশ্মীরি কুল চাষে শিক্ষার্থীর সাফল্য

নিউজ ডেস্ক:

কাশ্মীরি কুল চাষে শিক্ষার্থীর সাফল্য এসেছে। শিক্ষার্থী সোহান বাবা-মায়ের কাছে থেকে অনুমতি নিয়ে শখের বশে করেছিলেন কুলের বাগান। তিনি মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের জিয়নপুর এলাকায় বাসিন্দা। প্রায় পাঁচশত কুলের চারা লাগানোর আট মাসের মধ্যেই সোয়া দুই লাখ টাকায় কুলের বাগান বিক্রি করেছেন ব্যবসায়ীদের কাছে। তার এই কাশ্মীরি আপেল কুলের বাগান দেখতে প্রতিদিন ভীড় করছেন উৎসুক জনতা।

সোহান জানান, ইউটিউবের ভিডিও দেখে কুল চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেন তিনি। পরে তার মা-বাবাকে জানালে তারা অর্থ ও জমি দেন। শুরুতেই ২ বিঘা জমিতে পাঁচশতাধিক কাশ্মীরি জাতের কুলের চারা রোপন করেছিলেন তিনি। এর ৮ মাস পরই গাছগুলোতে কুল আসতে শুরু করে।

সোহান আরও জানান, স্থানীয় একজন ব্যবসায়ী সোয়া দুই লাখ টাকায় তার কুল বাগানটি কিনেছেন। দুই বিঘা জমিতে চারা রোপনসহ নানা কাজে ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়। সব খরচ বাদ দিয়েও লাভ হয় অনেক বেশি।

ব্যবসায়ী ইউসুফ আলী বলেন, কাশ্মীরি কুলের চাহিদা রয়েছে সারা দেশেই। সোহানের বাগানটি সোয়া দুই লাখ টাকায় কিনলেও আশা করছি চার লাখ টাকায় কুল বিক্রি করতে পারবো।

দৌলতপুরের কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানান, এ বছরই জেলায় প্রথমবার কাশ্মীরি জাতের কুলের চাষ হচ্ছে। আকারে বড় ও সুস্বাদু আপেল কুলের বেশ চাহিদা রয়েছে। আমরা নতুন কুল চাষিদের সব ধরণের সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

  •  
  •  
  •  
  •  

Tags: