বাকৃবি’তে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ
১৫ আগস্ট জাতীয় শোকের দিন। বাংলার আকাশ-বাতাস আর প্রকৃতিও অশ্রুসিক্ত হওয়ার দিন। কেননা পঁচাত্তরের এই দিনে আগস্ট আর শ্রাবণ মিলেমিশে একাকার হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত আর আকাশের মর্মছেঁড়া অশ্রুর প্লাবনে।
ভেজা বাতাস কেঁদেছে সমগ্র বাংলায়। ঘাতকদের উদ্যত অস্ত্রের সামনে ভীতসন্ত্রস্ত বাংলাদেশ বিহ্বল হয়ে পড়েছিল শোকে আর অভাবিত ঘটনার আকস্মিকতায়। কাল থেকে কালান্তরে জ্বলবে এ শোকের আগুন। স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকেয়া হল এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করে।
করোনা মহামারির কারনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা এবং বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারনে হলে কোন আবাসিক ছাত্রী না থাকায় সত্বেও দিনটি বাঙ্গালী জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ন বিবেচনা করে স্বল্প পরিসরে হলেও স্বাস্থ্য বিধি মেনে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বেগম রোকেয়া হলের হাউজ টিউটর জেনারেল ড. এফ. এম. জামিল উদ্দিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. খান মোঃ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, জাতির জনক ছাত্রজীবন থেকে বাঙ্গালী জাতীর স্বাধীনতার জন্য কাজ করে গেছেন। ১৯৭১ সালে তার নেতৃত্বে, ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ ও লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পাই। জাতির জনক নিজে সোনার বাংলা গড়ার কাজে হাত দেন। এই বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু তিনি যে জাতি পেয়েছেন আর যাদেরকে তার আশেপাশে দেখতে পেয়েছেন, তিনি শংকিত ছিলেন ঐ সকল লোকদের নিয়ে। হয়ত সত্যিকার সোনার বাংলা গড়তে ঐসকল ব্যক্তিগণই অন্তরায় হবেন। জাতির জনকের ভাবনা সত্যি হলো তার স্বপরিবারে নিহত হবার মাধ্যমে।
আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাউজ টিউটর জনাব ইসরাত জাহান ও মোঃ রাহাত আহমদ হৃদয়। তারা জাতির জনকের জীবনীর উপর বক্তব্য প্রদান করেন।
এছাড়াও আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধুর উপর বক্তব্য রাখেন সেকশন অফিসার রায়হান আহমদ তানভীর ও আল-আলীমূল রাজীব। সভায় উপস্থিত বাকৃবি ছাত্রলীগ বেগম রোকেয়া হল শাখার সভাপতি সাদিয়া সদরুল স্বর্ণা। সকলেই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান জাতির জনকের সপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ার নিমিত্তে নিরলস কাজ করার জন্য।

