পাম অয়েল উৎপাদন কমেছে ইন্দোনেশিয়ার
নিউজ ডেস্কঃ
বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী দেশ ইন্দোনেশিয়ার জন্য চলতি বছরের প্রথমার্ধ মোটেই ভালো যায়নি। একদিকে করোনা মহামারীতে চাহিদা কমে যাওয়ায় রফতানিতে ধস। অন্যদিকে খরার কারণে দেশটির অপরিশোধিত পাম অয়েল উৎপাদন এ সময় বেশ কমেছে। ইন্দোনেশিয়া পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) দেশটির অপরিশোধিত পাম অয়েল এবং পাম কার্নেল অয়েল উৎপাদন গত বছরের একই সময়ে তুলনায় ৯ দশমিক ২ শতাংশ কমে ২ কোটি ৩৫ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে উৎপাদনের পাশাপাশি এ সময়ে দেশটির পাম অয়েল রফতানিও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বলছে, প্রথমার্ধে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে পাম অয়েল রফতানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ শতাংশ কমেছে। সব মিলিয়ে এ সময়ে ১ কোটি ৫৫ লাখ টন অপরিশোধিত পাম অয়েল রফতানি হয়েছে।
তবে রফতানির পরিমাণ কমলেও এ সময় পাম অয়েল রফতানি করে ইন্দোনেশিয়ার রফতানিকারকদের আয় আগের তুলনায় বেড়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে পাম অয়েল রফতানি করে ইন্দোনেশিয়ার রফতানিকারকরা সব মিলিয়ে ১ হাজার ৬ কোটি ডলার আয় করেছেন। এক বছরের ব্যবধানে পাম অয়েল রফতানি খাত থেকে আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। খাতসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, রফতানির পরিমাণ কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তি দামের জের ধরে চলতি বছরের প্রথমার্ধে ইন্দোনেশীয় পাম অয়েল রফতানিকারকদের আয় বেড়েছে।
উৎপাদন কমে যাওয়ার বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ান পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জোকো সুপ্রিওনো বলেন, উৎপাদন কমে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো করোনাভাইরাস। তবে এটিই কিন্তু একমাত্র কারণ না। বরং পাম অয়েলের দাম কমে যাওয়াটাও একটি কারণ। দাম কম হওয়ায় পামের চাষ কমেছে। ফলে উৎপাদনও এ সময়ে কমতির দিকে ছিল।

