১০ হাজার ৫৬৭ টন চাল বরাদ্দ জেলেদের জন্য

নিউজ ডেস্কঃ

সরকারের মানবিক খাদ্যসহায়তা কর্মসূচির আওতায় চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালীন (১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর ২০২০, মোট ২২ দিন) জেলেদের জন্য ১০ হাজার ৫৬৬ দশমিক ৮৪ টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

এর আওতায় ৩৬টি জেলার ১৫২টি উপজেলায় মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা ৫ লাখ ২৮ হাজার ৩৪২টি জেলে পরিবারের জন্য ২০ কেজি হারে চাল ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম শুরুর পূর্বেই বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। এ মৌসুমে গত মৌসুমের তুলনায় অতিরিক্ত ১ লাখ ২০ হাজার ২৬৩টি জেলে পরিবারকে এ খাদ্যসহায়তা দেয়া হচ্ছে।

৩০ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এ-সংক্রান্ত মঞ্জুরি জ্ঞাপন করেছে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে উল্লিখিত ভিজিএফ চালের পরিবহন ব্যয়ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে মঞ্জুরি জ্ঞাপন করা হয়েছে। ভিজিএফ চাল ৩০ অক্টোবরের মধ্যে উত্তোলন ও সংশ্লিষ্টদের মাঝে বিতরণ সম্পন্ন করার জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলেদের মধ্যে এ ভিজিএফ চাল বিতরণ নিশ্চিত করার জন্য বরাদ্দপত্রে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

বরাদ্দপ্রাপ্ত ৩৬টি জেলা হলো ঢাকা, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নরসিংদী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, জামালপুর, চট্টগ্রাম, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কক্সবাজার, খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, বরিশাল, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা ও ঝালকাঠি।

উল্লেখ্য, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে ‘প্রোটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০’-এর অধীন প্রণীত ‘প্রোটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস, ১৯৮৫’ অনুযায়ী এ বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

  •  
  •  
  •  
  •  

Tags: