না ফেরার দেশে চলে গেলেন বাকৃবি ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন মির্জা আবুল হাসিম

বাকৃবি প্রতিনিধিঃ

বাংলােদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জারি ও  অবস্টেট্রিক্স  বিভাগের স্বনামধন্য শিক্ষক ও প্রথিতযশা ভেটেরিনারিয়ার ও সুদক্ষ ভেটেরিনারি সার্জন এবং ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মির্জা আবুল হাসিম গত ০৫-১০-২০২০ ইং তারিখ সোমবার বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

প্রফেসর হাসিম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ-এ লেখাপড়া শেষ করে সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগে ১৯৮৫ সালে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন এবং পদোন্নতি সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগে প্রফেসর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৯৯২ সনে যুক্তরাজ্যের ব্রিষ্টল ইউনিভারসিটির ডিপার্টমেন্ট অব ভেটেরিনারি সার্জারি হতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিভাগীয় প্রধান, হলের প্রভোস্ট ও ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  তিনি ১লা জুলাই ২০২০ তারিখে ডিনের দায়িতভার গ্রহণ করে দায়িত্ব পালন করছিলেন।  তাঁর অসংখ্য গবেষণা প্রবন্ধ দেশী-বিদেশেী জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রফেসর হাসিম এর মৃত্যুতে দেশে বিদেশে অবস্থানরত তাঁর গুনগ্রাহী ছাত্র-ছাত্রী, শুভাকাঙ্খী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ ও স্মৃতিচারণ করতে দেখা গেছে।

প্রফেসর ড. মির্জা আবুল হাসিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাকৃবি’র উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, যেন মরহুমের পরিবার, বন্ধু ও ঘনিষ্ঠজনেরা এই শোক কাটিয়ে উঠার শক্তি পান।

প্রফেসর হাসিম ছিলেন একজন হাস্যোজ্জল, সদালাপী  ও সহজ সরল মনের মানুষ। তাঁর মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশ একজন সৎ, প্রজ্ঞাবন ও মহানুভব শিক্ষাবিদকে হারালো।

প্রফেসর ড. মির্জা আবুল হাসিম টাঙ্গাইল জেলার করটিয়ার গোল্লাহ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৬১ বছর। মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র ও তিন কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •