মোমবাতি জ্বালিয়ে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড চেয়ে পথসভা
নিজস্ব ডেস্কঃ
ধর্ষিতার চিৎকারে প্রকম্পিত প্রিয় মাতৃভূমি। মানুষরূপী জানোয়াররা খুবলে খাচ্ছে নারীর শরীর। কী পাহাড়, কী সমতল, সর্বত্রই হায়েনার হামলা যেন! ধর্ষিতার রক্তে রঞ্জিত সমস্ত জনপথ। এত কান্না, এত বিষ, বাতাসে মেলেনি আগে!
ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড চেয়ে আজ সন্ধ্যায় ৭ নং মর্ণেয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কর্তৃক খলিফার বাজারে এক পথ সভার আয়োজন করে । উক্ত পথ সভার স্লোগান ছিলো ধর্ষক যেই হোক শাস্তি তার অনিবার্য । সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মোসাদ্দেক আলী আজাদ ( চেয়ারম্যান ৭ নং মর্নেয়া ইউনিয়ন পরিষদ ) তিনি বলেন ,ধর্ষকের বিচার মৃত্যুদন্ড কার্যকর না করা পর্যন্ত তারা রাজপথে অবস্থান করবেন । ধর্ষক যে দলেরই হোক না কেন তাকে উপযুক্ত শাস্তি পেতে হবে । তিনি বলেছেন, যেখানেই ধর্ষকের বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে ,সেখানে জনগনকে উপস্থিত হয়ে উপযুক্ত বিচারের দাবি জানাতে বলেছেন ।
পথ সভাটি সঞ্চালনা করেন মোঃ সোলায়মান সবুজ, ( সাধারণ সম্পাদক ছাত্রলীগ মর্ণেয়া ইউনিয়ন শাখা ) উক্ত পথসভায় উপস্থিত ছিলেন মর্ণেয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সহ অন্যান্য সংগঠন এর নেত্রীবৃন্দ সহ অনেকে ।
ধর্ষিতার কান্না পাহাড়-সমতলে সমানতালে মিলছে। আকাশ ভারী হয়ে উঠছে। মানুষ বাকরুদ্ধ। জবাব মিলছে না। বিচারহীনতাকেও দায়ী করছেন অনেকে। কেউ কেউ রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় ক্ষমতার প্রকাশ ঘটাচ্ছে নারীর প্রতি সহিংসতার মধ্য দিয়ে। অনেকে আবার উপর্যুপরি ধর্ষণের জন্য পর্নোগ্রাফিকেও দায়ী করছেন। হয়তো এসবের সবই কোনো না কোনো ক্ষেত্রবিশেষে দায়ী নারীর প্রতি সহিংসতার জন্য।

পথ সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ ( সভাপতি ছাত্রলীগ মর্ণেয়া ইউনিয়ন শাখা ) তিনি বলেন,ধর্ষকের বিচারের দাবিতে এবং সামাজিক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আমাদের এই পথ সভা । আইনের সুষ্ঠু ও দ্রুততার সঙ্গে প্রয়োগ এবং সমাজের বিবেকবান ও তরুণ সমাজকে নারী নির্যাতন রোধে সোচ্চার হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
ধর্ষকের কোনও দল নেই। সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাই পারে দেশের মানুষের বিবেককে জাগ্রত করতে। এখন প্রয়োজন মানুষের বিবেককে জাগ্রত করা।
জানতে চাইলে ফোনে আলাপ কালে সুশান্ত কুমার সরকার ( ইনর্চাজ গংগাচড়া মডেল থানা ) তিনি বলেন, ধর্ষকের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি, তাকে কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবেনা ।
উপস্থিত অন্যান্যরা বলেন, ধর্ষণের হার কমানোর জন্য দেশের আইন প্রণেতাদের বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। তবে যারা ধর্ষণের মতো জঘন্য কাজ করছে তাদের সংখ্যা সমাজে খুব বেশি না। তাই সমাজের সবাই যদি একসাথে সকল অন্যায়-অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারি তাহলে সমাজ আরও বেশি সুন্দর হবে।
ধর্ষকদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেয়া হোক। প্রকাশ্যে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক।
এই স্লোগানে পথ সভার কর্মসূচী সমাপ্ত করা হয় ।

