৩০ হাজার ৩০০ কৃষক প্রণোদনা পাচ্ছেন
নিউজ ডেস্কঃ
চুয়াডাঙ্গায় কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছেন ৩০ হাজার ৩০০ কৃষক। চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় ২০২০-২১ অর্থবছরে রবি মৌসুমে ভুট্টা, বোরো ধান, গম, সরষে, পেঁয়াজ ও গ্রীষ্মকালীন মুগ চাষে প্রণোদনা হিসেবে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হবে। জেলার ৩০ হাজার ৩০০ দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এ সুবিধা পাবেন।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৩০ হাজার ৩০০ কৃষকের মধ্যে সদর উপজেলার সাত হাজার ৩৫০ জন, আলমডাঙ্গা উপজেলার সাত হাজার ৩৫০ জন, দামুড়হুদা উপজেলার আট হাজার ২৫০ জন এবং জীবননগর উপজেলার সাত হাজার ৩৫০ জন এ সুবিধা পাবেন।
ভুট্টা চাষে ২৫ হাজার জন, বোরো ধান চাষে এক হাজার ৮০০ জন, গম চাষে ৫০০ জন, সরষে চাষে এক হাজার জন, গ্রীষ্মকালীন মুগ চাষে এক হাজার ৫০০ জন ও পেঁয়াজ চাষে ৫০০ জন এ প্রণোদনা পাবেন। ভুট্টা চাষে জেলার ২৫ হাজার কৃষকের প্রত্যেকে ভুট্টা বীজ দুই কেজি, ডিএপি ২০ কেজি ও এমওপি ১০ কেজি করে পাবেন।
বোরো ধান চাষে এক হাজার ৮০০ কৃষক প্রত্যেকে ধান বীজ এক কেজি এবং ডিএপি ও এমওপি ১০ কেজি করে পাবেন। সরষে চাষে জেলার এক হাজার কৃষকের প্রত্যেকে সরষে বীজ এক কেজি এবং ডিএপি ও এমওপি ১০ কেজি করে পাবেন। গ্রীষ্মকালীন মুগ চাষে এক হাজার ৫০০ কৃষকের প্রত্যেকে পাঁচ কেজি করে মুগ বীজ এবং ডিএপি ১০ কেজি ও এমওপি পাঁচ কেজি করে পবেন।
পেঁয়াজ চাষে জেলার ৫০০ কৃষক প্রত্যেকে ২৫০ গ্রাম করে পেঁয়াজ বীজ এবং ডিএপি ও এমওপি পাঁচ কেজি করে পাবেন। গম চাষে ৫০০ কৃষকের মধ্যে সদর উপজেলা বাদে আলমডাঙ্গা উপজেলার ২৫০ জন, দামুড়হুদা উপজেলার ১০০ জন ও জীবননগর উপজেলার ১৫০ কৃষক প্রত্যেকে ২০ কেজি করে গম বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার পাবেন।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ী চুয়াডাঙ্গার উপপরিচালক আলী হাসান জানান, মন্ত্রণালয় থেকে প্রণোদনা নির্ধারণ হয়ে থাকে। প্রত্যেকে ভুট্টায় দুই কেজি বীজ, ৩০ কেজি সার, বোরো ধান এবং সরষেতে এক কেজি করে বীজ ও ২০ কেজি করে সার, গ্রীষ্মকালীন মুগে ৫ কেজি বীজ ও ১৫ কেজি সার এবং পেঁয়াজে ২৫০ গ্রাম বীজ ও ১০ কেজি সার পাবেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চুয়াডাঙ্গা জেলার ৩০ হাজার ৩০০ দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এ প্রণোদনা পাবেন।
সুত্র: শেয়ার বিজ

