রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জমজমাট ফাইনালে মুখোমুখি সিটি বনাম চেলসি
স্পোর্টস ডেস্ক
অবশেষে চলে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বহুল আকাঙ্খিত ফাইনালটি মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আজ (শনিবার) রাতে, যাতে মুখোমুখি দুই ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি আর চেলসি।
ইউরোপসেরা হওয়ার মঞ্চে রাত একটায় (বাংলাদেশ সময়) পর্তুগালের এস্তাদিও দ্রো দ্রাগাও স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের ক্লাব দুটি। লড়াইটা দুই কোচেরও। ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা আর চেলসির টমাস টুখেল নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে নিজেদের উজাড় করেই লড়বেন।
এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অল ইংলিশ ফাইনাল দেখবে ফুটবল বিশ্ব। এর আগে ২০০৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-চেলসি এবং ২০১৯ সালে শিরোপাজয়ী লিভারপুলের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল টটেনহ্যাম হটস্পার।
আজকের দিনটি ম্যানচেস্টার সিটি সমর্থকদের জন্য একটু আলাদা। কেননা এবারই প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে সিটি। অন্যদিকে আগে একবার ইউরোপ সেরার মুকুট পরেছিল পশ্চিম লন্ডনের দল চেলসি।
গোটা মৌসুম জুড়ে দারুণ দাপট দেখিয়েছে পেপ গার্দিওলার সিটি। বেশ কয়েকটি রেকর্ড গড়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পাশাপাশি ইএফএল কাপের শিরোপাও ঘরে তুলেছে তারা। এবার সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবার ইউরোপসেরার মুকুটে চোখ গার্দিওলার শিষ্যদের।
অবশ্য ছেড়ে কথা বলার দিন আর নেই চেলসিরও। মৌসুমের শুরুতে হারের বৃত্তে থাকা দলটি টমাস টুখেলকে কোচ বানানোর পরই যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। দ্বিতীয় শিরোপার দিকে তাই তারাও বড় চোখ করে রেখেছে।
মুখোমুখি সর্বশেষ দুই দেখায় শতভাগ এগিয়ে রয়েছে চেলসি। গত ১৭ এপ্রিল এফএ কাপের ফাইনালের পর ৮ মে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেও সিটিকে হারিয়েছে চেলসি। যা ফাইনাল ম্যাচে তাদের আত্মবিশ্বাসের পালে বাড়তি হাওয়া দেবে।
করোনাকে পাশ কাটিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে সিটি এবং চেলসি মিলে ১৬ হাজার ৫০০ দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখতে পারবেন। আর টিভির সামনে কতজন থাকবেন, সেই হিসেবটা বাকি থাক!
সবমিলিয়ে জমজমাট এক ফাইনালের অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা। ম্যানচেস্টার সিটির প্রথম নাকি চেলসির দ্বিতীয়? মুখে মুখে এখন ঘুরছে শুধু এই একটাই প্রশ্ন। মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর যার উত্তর মিলে যাবে।

