নেট দুনিয়ায় ভাইরাল নাদিয়া শুধু একজন ফুটবলারই নন, ডাক্তারও
নিউজ ডেস্কঃ আফগানিস্তানের হেরাত শহরে জন্মগ্রহণ করেন নাদিয়া নাদিম। তার পিতা আফগান ন্যাশনাল আর্মির জেনারেল ছিলেন। ২০০০ সালে তালেবান গোষ্ঠী তার পিতাকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করে।
এর পরই জীবনে নেমে আসে দুঃখ-দুর্দশা। পিতার মৃত্যুর পর তার পরিবার ডেনমার্কে পালিয়ে যায়। আশ্রয় পান সেখানকার শরণার্থী শিবিরে। সেখানে তিনি তার ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন।
বিশ্বের প্রভাবশালী ম্যাগাজিন ফোর্বসে নাদিয়া নাদিমের ফুটবলার ওঠে ওঠার পেছনে এমনই গল্প উঠে এসেছে। এই ম্যাগাজিনের মোস্ট পাওয়ারফুল ওমেন ইন ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টসের তালিকায় উঠে এসেছে নাদিয়া নাদিমের নাম।
নাদিয়া নাদিম শুরুতে বি৫২ আলবোর্গ এবং এরপর টিম ভিবর্গের হয়ে খেলেন। এরপর সেখান থেকে তিনি পাড়ি জমান স্কাই ব্লু এফসিতে। এরপরের গন্তব্য ছিল পিএসজি। সেখান থেকে সর্বশেষ রেসিং লুইসভিলে এফসি। ২০১৮ সালে ম্যানসিটিতেও খেলেছেন তিনি।
২০০৯ সালে নাদিয়ার ডেনমার্ক জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ঘটে। এরপর খেলেছেন ৯৮টি ম্যাচ। গোলও করেছেন ৩৮টি। নাদিয়া নাদিমের এখন স্বপ্ন হলো, ডেনমার্কের হয়ে শততম ম্যাচ খেলা। এ বছরই সম্ভবত স্বপ্ন পূরণ হবে তার।
নাদিয়ার বর্তমান বয়স ৩৩ বছর। কিন্তু তিনি এখনই খেলা থামিয়ে দিতে চান না। এগিয়ে যেতে চান আরো অনেক দূর।
নাদিয়া শুধু একজন ফুটবলারই নন, একজন ডাক্তারও। তিনি একজন মেডিকেল সার্জন। খেলার পাশাপাশি তিনি এই ডিগ্রি অর্জন করেছেন। কথা বলতে পারেন মোট ১১টি ভাষায়। যে কারণে ফোর্বসের মোস্ট পাওয়ারফুল ওমেন ইন ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টসের তালিকায় উঠে আসে তার নাম।

