বাংলাদেশের সাথে সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির অভিমত জাপানের
নিউজ ডেস্কঃ জাপানের সাথে বাংলাদেশের সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির অভিমত সরাসরিভাবেই ব্যাক্ত করেছে জাপান। যার অংশ হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি এম্বাসির অধীনে বাংলাদেশে জাপানি ডিফেন্স এডভাইজর নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছে তারা। যেটি বাংলাদেশে জাপানের ডিফেন্স উইং এর প্রথম এবং আনুষ্ঠানিক যাত্রা হবে। মুলত এই ডিফেন্স এডভাইজর হবেন জাপানিজ নেভীর কোন পদস্হ কর্মকর্তা।এর পাশাপাশি জাপানেও বাংলাদেশের একজন নেভী ব্যাকগ্রাউন্ডের ডিফেন্স এডভাইজর নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে জাপান, যিনি টোকিওতে বাংলাদেশ এম্বাসির অধীনে নিযুক্ত থাকবেন।
উল্লেখ্য যে, চীন, ভারত, সৌদিআরব, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, রাশিয়া, সাউথ কোরিয়া, তুর্কী, ইউকে, ইউএসএ এর বাংলাদেশে ডিফেন্স এট্যাশে নিযুক্ত আছেন।
অন্যদিকে বাংলাদেশের ডিফেন্স এট্যাশে যেসব দেশে নিযুক্ত রয়েছে সেগুলো হল চীন, ইন্ডিয়া, নেপাল, সৌদিআরব, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, কাতার,ব্রাজিল, ফ্রান্স, জার্মানি, সাউথ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, তুর্কী, ইউএসএ, ইউকে, এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর। এ দায়িত্ব পালন করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদমর্যাদার কর্মকর্তারা।
“ফ্রি ইন্দো প্যাসিফিক রিজিওন ” এর গুরুত্বপূর্ণ পার্টনার হিসেবে জাপান বাংলাদেশকে সামরিক ক্ষেত্রে পাশে পেতে চায়। যেটি বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশের সাথে ডিফেন্স কো-অপারেশনে আগ্রহী জাপান। এই ডিফেন্স কো-অপারেশনের মধ্যে রয়েছে সার্ভিস টু সার্ভিস ট্রেনিং এক্সচেঞ্জ, যৌথ মহড়া, দুই দেশের মধ্যে নৌবাহিনীর জাহাজ সমুহের শুভেচ্ছা সফর, কন্টিজেন্ট সফর, টেকনোলজিক্যাল কোঅপারেশন এবং সামরিক সরন্জাম কেনা বেচা।
বর্তমানে জাপান সামরিক শক্তিতে বিশ্বের ৫ম শক্তিশালী দেশ। যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫ তম। বিশ্বের ৫ম শক্তিশালী দেশের সরাসরি বাংলাদেশের সাথে সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির অভিমতের পেছনে রয়েছে ইন্দো প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি। এছাড়া রয়েছে দ্বিপক্ষীয় স্ট্র্যাটেজি। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বীজ বপণ হয়, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরের কাজ থেকে চীনকে বাদ দিয়ে জাপানের হাতে তুলে দেয়ার মাধ্যমে। এই মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরটি বঙ্গোপসাগরের এমন স্হানে অবস্থিত যেটি সাউথ এশিয়া এবং সাউথ ইস্ট এশিয়াকে কানেক্ট করেছে। আর ইন্দো প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির আওতায় জাপান চীন বিরোধী জোট QUAD এর সক্রিয় সদস্য। সেদিক থেকেও উদীয়মান অর্থনীতি এবং সামরিক শক্তি হিসেবে বাংলাদেশ জাপানের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।
PC:- Naoki ito.
সূত্র : ডিইএফআরএস

