বাকৃবিতে বঙ্গবন্ধুর ১০২ তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ ১৭ মার্চ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস।
১৯২০ সালের এই দিনে (১৭ মার্চ) তদানীন্তন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ মুজিবুর রহমান। বাবার নাম শেখ লুৎফর রহমান আর মা সায়েরা খাতুন। পরবর্তীতে টুঙ্গীপাড়ায় এই “খোকা” নামের শিশুটিই হয়ে ওঠেন নির্যাতিত -নিপীড়িত বাঙালির ত্রাতা ও মুক্তির দিশারি।
এই দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কর্মসূচির মধ্যে ১৭ মার্চ ২০২২ সকাল ৭ টায় মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে একে একে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম সহ বাকৃবির অনুমোদিত সংগঠন – শিশু নিকেতন, কৃষি ব্যবসা ও উন্নয়ন শিক্ষা ইনস্টিউট, উদীচী, গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম, পিএইচডি স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, শিশু-কিশোর কাউন্সিল ইত্যাদি।
সকাল ১১ টায় গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম পথশিশুদের নিয়ে কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করে। এ সময়ে পথশিশুদেরকে একটি করে টি শার্ট প্রদান করা হয়।
গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, “আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপনের বিশেষত্ত্ব হচ্ছে, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মনোরঞ্জন করা। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে তাদের নিয়ে কেক কাটা সহ প্রত্যেককে একটি করে টি শার্ট দেয়া হয়েছে যাতে তারা আনন্দিত হয়।
গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন,” বঙ্গবন্ধুর মত একজন মহাপুরুষের জন্ম না হলে বাংলাদেশের সৃষ্টিই হত না।”
গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য প্রফেসর ড. মো. মঞ্জুরুল আলম বলেন, আজ গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের একত্রিত করে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে তাদের মুখে ছোট্ট একটু হাসি দেখার জন্য একত্রিত হয়েছে।
আজকের শিশুরা যেন সত্যিকার অর্থে সকল সুবিধা, শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে আগামী দিনের জাতির কর্নধার হয়ে উঠতে পারে সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনাকরে বাকৃবির সকল মসজিদ ও মন্দির ও উপাসনালয়সমূহে স্ব স্ব সময়ে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়।

