রাবিতে জীবাশ্ম জ্বালানিতে জি-সেভেনের ঋণ বাতিলের দাবি

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) জীবাশ্ম জ্বালানিতে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জি-সেভেনভুক্ত দেশের ঋণ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদী দুইটি সংগঠন। সোমবার (২৭ জুন) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পেছনে ক্লিন এবং পরিবর্তন নামের দুইটি সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তারা এমন দাবি জানান।

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী এবং সংগঠন দু’টির কর্মী নিয়ে এক প্রতিবাদী র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে প্রতিবাদকারীরা বাংলাদেশের ৭৭ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার এবং এশিয়ার দেশগুলোর মোট ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি বিদেশি ঋণের একটি প্রতীকী বিল ছিড়ে ফেলেন।

সমাবেশে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘ক্লিন’-এর প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী বলেন, ‘‘সরকারের কাঁধে ইতোমধ্যে বড় অংকের ঋণের বোঝা থাকা সত্ত্বেও ঋণ নিয়েই চলছে। এমনভাবে চলতে থাকলে এই ঋণ শোধ করতে গিয়ে আগামী ১২ বছর পর আমাদের দেশ একটি বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে পারে।’’

মেহেদি আরও বলেন, “সত্যিকার অর্থে জি-৭ ভুক্ত ধনী দেশগুলো আমাদের কাছে অনেক বড় অঙ্কের অর্থের সমপরিমাণ ঋণী, জলবায়ু ঋণের দিক দিয়ে যা তারা পরিশোধ করেনি। এর পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে। যদি তারা তাদের জলবায়ু ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে দক্ষিণের দেশগুলোর ২০৩০ সাল নাগাদ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ৬ ট্রিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ পর্যন্ত অর্থের ক্ষতি হতে পারে।”

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘পরিবর্তন’-এর রাশেদ ইবনে ওবায়েদ রিপন বলেন, জি-৭ ভুক্ত দেশগুলো সবচেয়ে বেশি গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমনকারী দেশ। তারা এই নির্গমন চালিয়ে যাচ্ছে। তারা জলবায়ু বিপর্যয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী। ২০২২ সালের মধ্যে জীবাশ্ম বিনিয়োগ বন্ধের সর্বশেষ অঙ্গীকার শক্তভাবে পালন করার আহ্বান জানান তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •