২৮ ডিসেম্বর খুলছে আরেকটি স্বপ্নের দুয়ার
নিউজ ডেস্ক: বৈদ্যুতিক ট্রেনের জগতে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। মেট্রোরেলের আশীর্বাদে নিত্যদিনের যানজটের খড়গ থেকে মিলবে মুক্তি। এতে উচ্ছ্বসিত রাজধানীবাসী।
এদিকে মেট্রোরেল সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকার বিকেন্দ্রীকরণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কয়েক মাস ধরে শুধু উদ্বোধনের মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষা নয়, প্রথম যাত্রীর গর্বিত অংশীদার হওয়ার প্রতীক্ষাও অনেকের। প্রতীক্ষার পালা একদমই শেষের দিকে। হাতে গুনে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। এরপরই বৈদ্যুতিক ট্রেনের যুগে আনুষ্ঠানিক যাত্রা বাঙালির-বাংলাদেশের।
আর তাই মাহেন্দ্রক্ষণ এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে উচ্ছ্বাস, বাড়ছে আনন্দ। মেট্রোরেলের সাম্প্রতিক হুইসেল বার্তা দিচ্ছে নতুন এক পথের। নতুন এক দিগন্ত উন্মোচনের।
বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করার পর ২৯ ডিসেম্বর সাধারণ মানুষের সুযোগ মিলবে মেট্রোযাত্রার। প্রথম যাত্রার গর্বিত অংশীদার হওয়ার অপেক্ষায় নগরবাসী। স্বপ্নের মেট্রোরেল ১২০ মিনিট অর্থাৎ দুই ঘণ্টার যাত্রাপথ নিয়ে আসবে ২০ মিনিটে। যা মানুষের গতিশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর ঢাকার বিকেন্দ্রীকরণেও সুফল দেবে মেট্রোরেল।
সর্বনিম্ন ২০ টাকা ভাড়ায় আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে রাজধানীর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত যাতায়াত করতে পারবেন নগরবাসী।

