আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন শেকৃবি শিক্ষক
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
কুকুর ও বিড়ালের টীকা সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন এন্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক, আর্ন্তজাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট পোষা প্রাণি চিকিৎসক ড. কে. বি. এম. সাইফুল ইসলাম।
আগামী ১৭-১৮ এপ্রিল, ২০১৬ইং মালায়েশিয়ার কুয়ালালামপুর সিটিতে অনুষ্ঠিতব্য “৩য় সাউথ-ইস্ট এশিয়া এন্ড ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টস (আইএসসি) ফোরাম অন ক্যানাইন এন্ড ফেলাইন ভ্যাক্সিনেশন” শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে “কি ওপিনিওন লিডার” হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ “পোষা প্রাণি চিকিৎসক” হিসেবে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
উক্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশসহ দক্ষিন-পূর্ব এশিয়া এবং ভারতীয় উপমহাদেশের ১২ টি দেশ থেকে আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞ পোষা প্রাণি চিকিৎসকগন নিজ নিজ দেশের পোষা প্রাণির চিকিৎসার বর্তমান চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি অত্র অঞ্চলের পোষা প্রাণির চিকিৎসার উন্নয়নকল্পে বিশেষজ্ঞ মতামত প্রদান করবেন।
উলেক্ষ্য, ড. ইসলাম পরপর তিন বার “কি ওপিনিওন লিডার” হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের পোষা প্রাণির চিকিৎসার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য দেশের একমাত্র বিশেষজ্ঞ “পোষা প্রাণি চিকিৎসক” হিসেবে মনোনীত হবার বিরল সম্মান অর্জন করলেন। এর আগে তিনি গত ২৩-২৪ জুলাই, ২০১৫ইং ভিয়েতনামের হো-চি-মিন সিটিতে অনুষ্ঠিত “২য় সাউথ-ইস্ট এশিয়া এন্ড ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টস (আইএসসি) ফোরাম অন ক্যানাইন এন্ড ফেলাইন ভ্যাক্সিনেশন” শীর্ষক এবং গত ০২ অক্টোবর, ২০১৫ইং ফিলিপিনের ম্যানিলা সিটিতে অনুষ্ঠিত “১ম সাউথ-ইস্ট এশিয়া এন্ড ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টস (আইএসসি) প্যারাসাইটোলজী সিম্পোজিয়াম” শীর্ষক আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামে “কি ওপিনিওন লিডার” হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের একমাত্র বিশেষজ্ঞ পোষা প্রাণি চিকিৎসক হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
মালায়েশিয়ার কুয়ালালামপুর সিটিতে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহনের লক্ষ্যে ড. ইসলাম গতকাল ১৫ এপ্রিল রাতে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমানযোগে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন। সম্মেলনে অংশগ্রহন শেষে তিনি আগামী ২০ এপ্রিল ২০১৬ইং দেশে ফেরত এসে স্বীয় কর্মস্থলে যোগ দেবেন।
তিনি দেশের প্রাণিস্বাস্থ্যের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং এ ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন।

