মুক্ততথ্য সম্মাননা পদক পেলেন সাংবাদিক শাহ্ আলম শাহী

স্টাফ রিপোর্টারঃ
সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ মুক্ততথ্য সম্মাননা পদক পেলেন চ্যানেল আই’র স্টাফ রিপোর্টার শাহ্ আলম শাহী।

রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী, ভি আই পি সেমিনার হলে মঙ্গলবার সন্ধায় আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্ততথ্য সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি মো: জয়নুল আবেদীন। দৈনিক মুক্ততথ্য’র উদ্যোগে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা শীর্ষক আলোচনা সভা এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠান শেষে গুণীজন সম্মাননা প্রদান করা হয়। দৈনিক মুক্ততথ্য’র সম্পাদক মো: আব্দুল মাজেদ এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তম ময়মনসিংহ সমিতি, ঢাকা এর যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহফিজুর রহমান বাবুল, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের প্রেসিডিয়াম মেম্বার পাপিয়া সেলিম, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: নূর হোসেন মোল্লা, কৃষক শ্রমিক এর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবী আলহাজ্ব প্রফেসর নুরজাহান বেগম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট এম.এম করিম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও দৈনিক মুক্ততথ্য’র বিশেষ প্রতিনিধি মো: রবিউল হোসেন রবি। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও দৈনিক মুক্ততথ্য’র প্রধান প্রতিবেদক মো: সাহিদুল ইসলাম।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার আলোকিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সাংবাদিক শাহ্ আলম শাহী চ্যানেল আই, দৈনিক মানবজমিন ও রেডিও আমার এ স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছেন । এছাড়াও তিনি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ক উন্নয়ন সংস্থা “ সিসিডি-বাংলাদেশ” এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী এবং জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন ও আইন সহায়তা পরিবেশ সংরক্ষণ কেন্দ্রে’র “সমন্বয়ক” এর দায়িত্বে রয়েছেন। সাংবাদিক শাহ্ আলম শাহী সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছরেই ৩টি পুরস্কার ও পদক পেয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি লুফে নিয়েছে আরও বেশ কিছু পুরস্কার ও পদক।
দিনাজপুরে ১০৬৩টি প্রকল্পের সোয়া ৫ কোটি টাকা হরিলুট !

শাহ্ আলম শাহী,স্টাফ রিপোর্টার,দিনাজপুর থেকেঃ
দিনাজপুরে চলতি অর্থ বছরের গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষণের ১ হাজার ৬৩টি প্রকল্পের কাজে অর্থ হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পগুলোতে বরাদ্ধের সোয়া ৫ কোটি টাকার কাজে যা ইচ্ছে তাই হয়েছে।

জানা গেছে,গত ২৫ মে থেকে জেলার নির্বাচিত ৬টি সংসদীয় আসনের ১৩টি উপজেলায় গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষণ (টিআর) ১ হাজার ৬৩টি প্রকল্পের জন্য ৫ কোটি ২৫ লাখ ২১ হাজার ৪৬২ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। ইতি মধ্যেই এই বরাদ্ধকৃত টাকা প্রদান করা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের কাছে। কাজও শুরু করেছে। কিন্তু কাজের নামে চলছে হরিলুট। এ যেনো মগের মুলুক। গ্রামের মানুষের উপকার না হয়ে পকেট ভারী হচ্ছে ত্রান ও পুনর্বাসন বিভাগ,ইউপি চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্টদের। প্রকল্পের কাজের মধ্যে আছে ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাঘাট, ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাঠ ভরাট, প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোকে মেরামত করা ও উন্নয়ন করা। এছাড়াও রয়েছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা। এসব কাজ তদারকি করছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী অফিসার ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা। আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে কোন কোন এলাকায় কাজ হোক বা না হোক বরাদ্ধকৃত অর্থ শেষ হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার সাধারন মানুষ অভিযোগ করেছে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সরকারের এই বিপুল পরিমান ৫ কোটি টাকা হরিলুট হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই বিশাল পরিমান অর্থের কোন কাজ হয়নি। বরং দলীয় নেতাকর্মীরা ভাগবাটোয়ারা করে হজম করেছে। জনগনের কোন উপকার আসেনি তাতে। ৫ কোটি টাকার কাজ শুধু মাত্র মাষ্টার রোলেই শোভা পাচ্ছে। বাস্তবে এর কোন চিত্র নাই।

তবে দিনাজপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ মোকলেসুর রহমান জানান,যে সব এলাকায় বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে সে সব এলাকার প্রকল্প গুলো সুন্দর ও সুষ্ঠু ভাবে কাজ হয়েছে এবং হচ্ছে। কাজে কোন প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়নি বা হচ্ছে না।

  •  
  •  
  •  
  •  

Tags: