কুবি প্রশাসনকে কুবিসাসের তিন দিনের আল্টিমেটাম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দকে লাঞ্ছনাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, উপাচার্যকে স্মারক লিপি প্রদান এবং প্রশাসনকে তিন দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (কুবিসাস)।
সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ শফিউল্লাহর সঞ্চালনায় বুধবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসাশনিক ভবনের সামনে তারা এ মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে বক্তারা এতদিন পরও লাঞ্ছনাকারীর বিচার না হত্তয়ার জন্য প্রশাসনের দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করেন।
মানববন্ধনে প্রশাসনের কতিপয় লাঞ্ছনাকারীর বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।
এই মানববন্ধনে একাত্বতা প্রকাশ করে থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, রক্তদাতা সংগঠন বন্ধু, অণুপ্রাস কন্ঠচর্চাকেন্দ্র, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাইন্স ক্লাব, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগসহ অন্যান্য ছাত্র ও সামাজিক সংগঠনগুলো।
শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজা-ই-এলাহী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের সঙ্গে এই রকম ব্যবহার মেনে নেয়া যায় না। শুধু সাংবাদিক নয় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী । ঔদ্ধ্যত্বপূর্ণ ব্যবহারের জন্য প্রশাসনের বিচারহীনতা দায়ী।
সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রাসেল মাহমুদ বলেন, সাংবাদিকরা হচ্ছে সমাজের দর্পণ। তারা সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় কর্মকর্তার অফিস ফাঁকি দেয়া, অনিয়ম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে খবর পরিবেশন করায় আমাকে এবং আমার সমিতির সদস্যদের লাঞ্ছনা করা হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন বিচার করছেন না।
তিনি আরও বলেন, আগামি রোববারের মধ্যে প্রশাসন শাস্তির কোন ব্যাবস্থা না নিলে আমরা কঠোর কর্মসূচী দিব।
উল্লেখ্য, গত ১৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা কর্মচারী, প্রকৌশলী শহীদ উল্লাহ খান, সেকশন অফিসার মো: জাকির হোসেন এবং জাহাঙ্গির, কম্পিউটার অপারেটর জি এম মনিরুজ্জামান তুষার অফিস ফাঁকি দেয়া, অনিয়ম, দুর্নীতি, নেশাকরা ইত্যাদি অভিযোগের উড়োচিঠির ভিত্তিতে নিউজ পরিবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। পরে মনিরুজ্জামান তুষার ও জাকির হোসেন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও সদস্যদের লাঞ্ছিত এবং ক্যাম্পাস ছাড়া করার হুমকি দেন।

