মুনজেরিনের সম্পর্কে কিছু অজানা কথা!

moon

নিউজ ডেস্কঃ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাঁরা নিয়মিত ব্যবহার করেন, তাঁদের কাছে বেশ পরিচিত টেন মিনিট স্কুলের শিক্ষক মুনজেরিনের ইংরেজি শেখার ভিডিও। মোটা ফ্রেমের চশমা পরা স্কুলের কোনো রাগী শিক্ষক নন মুনজেরিন। বরং সদা হাসিখুশি একজন শিক্ষক। সহজ আর সাবলীল পড়ানোর পদ্ধতিই দর্শকদের কাছে বেশ পছন্দ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন মুনজেরিন। এখন যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লায়েড লিঙ্গুয়েস্টিক অ্যান্ড সেকেন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাকুইজিশন বিষয়ে স্নাতকোত্তর পড়ছেন। অক্সফোর্ডে যাওয়ার আগেই বেরিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল। প্রথম শ্রেণিতে প্রথম, এই ফলাফল মুনজেরিনের।

মুনজেরিনের বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে। ইংরেজির প্রতি ঝোঁক স্কুল থেকেই। ছোটবেলা কেটেছে চাচাতো-ফুফাতো ভাই-বোনদের সঙ্গে। ঢাকায় স্থায়ী হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে।

ইংরেজি শেখানো শুরুর ঘটনা সম্পর্কে মুনজেরিন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করার পর বন্ধুরা অন্যদের ইংরেজি শেখানোর জন্য উৎসাহ দিতে লাগলো। এর ক’দিন পরেই শুরু হলো লকডাউন। তখন সব কিছু বন্ধ। কিছুটা হতাশায় ভুগছিলাম। এই হতাশা থেকে বের হওয়ার জন্যই কন্টেন্ট বানানো শুরু করি। এছাড়াও সব সময় দেখে এসেছি, ইংরেজি নিয়ে সবার মধ্যে ভীতি কাজ করে। ভাবলাম, এই ভীতিটা দূর করানোর জন্য কাজ করা যেতে পারে। এরপরেই শুরু করলাম সহজভাবে ইংরেজি শেখানো।

ছোটবেলায়ও তিনি কেমন স্টুডেন্ট ছিলেন? এ বিষয়ে মুনজেরিন বলেন,ছোটবেলায় তেমন একটা ভালো স্টুডেন্ট ছিলাম না। আমি বরাবরই অংকে কাঁচা ছিলাম। তবে ইংরেজিতে আমার ঝোঁক ছিল। মজার বিষয় হচ্ছে, স্কুলে অনেক দুষ্টুমি করতাম। দুষ্টুমির জন্য বহুবার স্যার ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছেন। এরপর ক্লাসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। তখন অবশ্য শাস্তিটাও উপভোগ করতাম। কিন্তু এখন এ কথা বললে কেউ বিশ্বাস করতে চাইবে না। তবে আমি ছোটবেলায় অনেক দুষ্টু ছিলাম, এটা সত্য। এ জন্য মায়ের হাতে মারও খেয়েছি অনেকবার।

  •  
  •  
  •  
  •  

Tags: ,