দেশে হঠাৎ করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ কি?

করোনা ডেস্কঃ

বিশ্বের অন্যান্য দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার। দ্রুত এভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়ার কারণকি?

দেশে ফের করোনাভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণ হিসেবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের নতুন দুই সাব ভ্যারিয়েন্টকে  দায়ী করেছেনআন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) মঙ্গলবার ( জুলাই) আইসিডিডিআরবিরঅফিসিয়াল সাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়।

ভ্যারিয়েন্ট দুটি হলো বিএ. এবং বিএ.৫। এসব সাবভ্যারিয়েন্ট উচ্চ সংক্রামক।

তবে মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তির হার কম এসব ভ্যারিয়েন্টে।


ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সাবভ্যারিয়েন্ট বিএ. এবং বিএ. আগের সাব ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে। ফলেদেশে সংক্রমণের নতুন ঢেউ দেখা দিয়েছে। সাবভ্যারিয়েন্ট দুটি সর্বপ্রথম ২০২২ সালের জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণআফ্রিকায় শনাক্ত হয়েছিল।

দেশে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট প্রথম শনাক্ত হয় ২০২১ সালের ডিসেম্বর। প্রাথমিকভাবে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথম দুইসপ্তাহে বেশিরভাগ করোনা পজিটিভ কেস ছিল বিএ.১। পরে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকে সংক্রমিত হয় সাবভ্যারিয়েন্টবিএ.২। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিএ. প্রতিস্থাপন করে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সংক্রমণ ঘটায়।

আইসিডিডিআরবি জানায়, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ১৩ মে মধ্যে দেশে করোনা শনাক্তের হার খুব কম থাকায়সিকোয়েন্সিং করা সম্ভব হয়নি। অবস্থায় গত ১৯ মে ঢাকায় প্রথম সন্দেহভাজন ওমিক্রন সাবভ্যারিয়েন্ট বিএ. রোগী শনাক্তকরা হয়। এরপর গত ছয় সপ্তাহে (১৪ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত) বিএ. সবচেয়ে প্রভাবশালী সাবভ্যারিয়েন্ট হয়ে উঠে। এমনকি সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্সিং ব্যবহার করে ৫২টি করোনা পজিটিভের ঘটনায় মধ্যে ৫১টি বিএ. সাবভ্যারিয়েন্টএবং একটি বিএ. হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

৪০ জন বিএ. সংক্রমিত রোগীর ক্লিনিক্যাল ডাটা এবং টিকাদানের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, সংক্রমিতদের মধ্যে ১৬জন পুরুষ ২৪ জন নারী রয়েছেন। তাদের ৩৯ জনের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ দেখা গেছে এবং একজনের মধ্যে কোনোউপসর্গ দেখা দেয়নি। তাদের মধ্যে মাত্র একজনকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। এদের মধ্যে ১১ জন দ্বিতীয়বারের মতো এবংসাতজন তৃতীয়বারের মতো করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, নতুন জনসহ দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে মোটশনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৮২ হাজার ৯৭২ জনে।

এদিকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মাস্ক পরাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে ৬টি নির্দেশনা দিয়েছে।গত ২৮ জুন রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে চলাচল সার্বিক কার্যাবলীর ক্ষেত্রে এসব নির্দেশনা জারি করে প্রজ্ঞাপন জারি করাহয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: ,