সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সৃষ্টি হয়েছে জনদুর্ভোগ

নিউজ ডেস্ক:
বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে সিলেটে। নগরীসহ জেলার সবগুলো উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েসৃষ্টি হয়েছে জনদুর্ভোগ।

সুরমা নদী উপচে সিলেট নগরের অভিজাত এলাকা খ্যাত শাহজালাল উপশহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও কোমর সমান মানুষজন রাস্তায় বের হতে পারছে না। বাড়ির রিজার্ভ ট্যাংকে নর্দমার পানি ঢুকে গেছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার এমনকি সরকারি দফতরগুলোতে উঠেছে পানি। বন্যাকবলিত হয়ে পড়া সিলেট নগরীর আরও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

সুরমার তীরঘেঁষা শাহজালাল উপশহর, সোবহানীঘাট, ছড়ারপাড়, কালিঘাট, তালতলা, কাজিরবাজার, শেখঘাট, ঘাসিটুলা, লালাদিঘির পাড় এলাকাসহ মহানগরীর অন্তত ১৫টি ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের জন্য নগরে ১৬টিসহ ২৭৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন লোকজন। তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সিলেট জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, জেলায় ২৭৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এরমধ্যে ৭৮টিতে মানুষ অবস্থান করছেন। এছাড়া বন্যার্তদের জন্য এ যাবত ১৪৯ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরসঙ্গে ১ হাজার বস্তা শুকনো খাবারও বরাদ্দ করা হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর বলেন, নগরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নগরের ২৭টি ওয়ার্ডের অর্ধেকের বেশি এলাকায় পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে রাস্তাঘাত ডুবে গিয়ে যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিচ্ছেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২৩ জুন পর্যন্ত সিলেটে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। তবে বৃষ্টির পরিমান কিছুটা কমতে পারে।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3