বাড়ছে করোনা, বাকৃবিতে আক্রান্ত এক শিক্ষার্থী

corona

বাকৃবি প্রতিনিধিঃ

দেশে দিন দিন করোনা সংক্রমণ আবার বাড়ছে। বেশ কিছুদিন থেমে থাকলেও আবার ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংক্রমনের খবর মিলেছে।  নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের এক শিক্ষার্থী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাকৃবি হেলথ কেয়ার সেন্টারের চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো: সাইদুর রহমান শওকত।

সূত্র মতে, আক্রান্ত শিক্ষার্থীর শরীরে কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। তবে করোনা টেস্ট করলে ফলাফল পজিটিভ আসে। বিষয়টি হল প্রশাসনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় হেলথ কেয়ার সেন্টারে অবহিত করলে তারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে নিয়ে আইসোলেশনে রাখতে বলেন।

হল প্রভোস্ট প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ” বাকৃবিতে নতুন করে আবার করোনা সংক্রমণ শুরু হয়েছে। এখন মেয়েটি আইসোলেশনে রয়েছে এবং শারীরিক অবস্থা ভালো।” এতে বিচলিত না হয়ে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন তিনি।

এ বিষয়ে হেলথ কেয়ার সেন্টারের চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো: সাইদুর রহমান শওকত সবুজ- বাংলাদেশ24. কমকে বলেন, ” বিষয়টি হল প্রশাসন অবহিত করলে আমরা ঐ শিক্ষার্থীর জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করি। বর্তমানে ঐ শিক্ষার্থীর অবস্থা ভালো।”

এর আগে করোনা মহামারীতে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২২ সালে পুনরায় শুরু হয় সশরীরে পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম। নতুন করে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শঙ্কা।

এক শিক্ষার্থী বলেন, “করোনার কারণে আমাদের অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। সবে মাত্র ক্লাস- পরীক্ষা নিয়মিত শুরু হয়ে বিশ্বিদ্যালয়ে ফিরে এসেছে আগের পরিবেশ। এখন আবার করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকলে শিক্ষার্থীরা অনেক বড় ক্ষতির সম্মুখীন হবে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সবুজ বাংলাদেশ24. কমের সম্পাদক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারাসাইটোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. সহিদুজ্জামান বলেন, “স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো উপায় নেই। টিকা নিলেই যে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবেনা বিষয়টি এমন নয়। টিকা দেয়ার ফলে আক্রান্ত হলে আমাদের সুস্থ হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি।”

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৩৫ জনই রয়েছে। একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৬৮৫ জন। এ নিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৯ লাখ ৬২ হাজার ২১৩ জনে। এসময়ে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ।

  •  
  •  
  •  
  •