তানোরে মসলার বাজারে লেগেছে ঈদের উত্তাপ
মিজানুর রহমান, তানোর (রাজশাহী) সংবাদদাতা :
পবিত্র ঈদ-উল-আজহাকে ঘিরে দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় রাজশাহীর তানোর উপজেলার হাট-বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে প্রায় সব ধরনের মসলা। এর মধ্যে পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকলেও দফায় দফায় বেড়েছে কয়েকটি মশলার দাম। কোরবানি ঈদের অন্যতম প্রয়োজনীয় পণ্য মসলা বাড়তি দামে বিক্রি হওয়ায় ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের মধ্যে।
গতকাল রোববার উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি কাঁচা আদার (চায়না) ১২৫-১৩০ টাকা, দেশি আদা ১১৫-১২০ টাকা, প্রতি কেজি এলাচের (অস্ট্রেলিয়ান) দাম মানভেদে ৯৫০-১০৫০ টাকা, মানভেদে প্রতি কেজি জিরার (সিরিয়া) ৩৪০-৩৬০ টাকা, দারচিনির দাম কেজি প্রতি ২৬০-২৮০ টাকা, রসুনের কেজি ১৬৫-১৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও দেশি মরিচের কেজি ১৯০-২০০ টাকা, ভারতীয় মরিচের কেজি ১৬৫-১৭০ টাকা, গোল মরিচের কেজি ৮৫০-৯০০ টাকা, সাদা গোল মরিচ কেজি ১৪০০ টাকা, দেশি (বিনি) হলুদের কেজি ১৫৫-১৬৫ টাকা, ভারতীয় হলুদ ১১৮-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। পোস্তা কেজি ৯০০ টাকা। লং কেজি ১০০০ টাকা, তেজপাতা কেজি ১২০ টাকা, জায়ফল কেজি ৫০০ টাকা, আলু বাখারা কেজি ৬৮০ টাকা, কিসমিস কেজি ২৬০ টাকা, বাদাম কেজি ১২০ টাকা এবং সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৮৮-৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে এলাচ, দারচিনি, তেজপাতা ও পোস্তার দাম কেজিতে গড়ে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে।
এনিয়ে উপজেলার চাপড়া বাজারের মসলা ব্যবসায়ী রুবেল হোসেন জানান, ঈদকে সামনে রেখে মসলার চাহিদা বেড়েছে। মসলার সরবরাহ পর্যাপ্ত আছে। তবে চাহিদা বাড়ায় এখন দাম কিছুটা বেশি। ঈদের আগ পর্যন্ত মসলার বাজার কিছুটা অস্থিতিশীল থাকতে পারে।
এদিকে প্রতি বছর কোরবানি ঈদকে ঘিরে পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল থাকলেও এবছর দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। স্থিতিশীল আছে দাম। ভারত থেকে পর্যাপ্ত আমদানির কারণে এবছর পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
এব্যাপারে উপজেলার মুন্ডুমালা বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ী আরিফুর রহমান শিশির বলেন, পাইকারি বাজারে ১৯-২১ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে পেঁয়াজ। ব্যবসায়ীদের গুদামে পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। তাই আগামী কয়েক মাসেও এর দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

