অবশেষে বুমরার দাদার মরদেহ পাওয়া গেল নদীতে

স্পোর্টস ডেস্কঃ

এ যেন টেলিভিশনের সিরিয়ালকেও হার মানিয়েছে। পারিবারিক কলহের এমন ঘটনা সিরিয়ালগুলোতেই বেশি দেখা যায়। কিন্তু এবার এমন কলহের জেড়েই প্রাণ গেল ভারতের ক্রিকেটার জসপ্রিত বুমরার দাদার।

স্থানীয় পুলিশের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো থেকে জানা যায়, মাত্র সাত বছর বয়সে বুমরার বাবা জসবীর সিং মারা যাওয়ার পর একাই ছেলে বুমরাকে বড় করেছেন মা দলজিৎ বুমরা। দাদার বাড়ির সাথে অনেক বছর যোগাযোগ ছিল না ভারতীয় এই ফাস্ট বোলারের। মূলত মাই সেই যোগাযোগ রাখতে দেননি। ১৭ বছর পর নাতির সাথে দেখা করতে এসেছিলেন দাদা সন্তোকি সিং।

কিন্তু বুমরার সাথে দেখা করতে দেননি তার মা। এমনকি তার ফোন নম্বরও দেননি। মন খারাপ করেই চলে যান সন্তোকি, এমনটাই জানিয়েছেন বুমরার ফুফু রাজেন্দর কউর। বলেন, ‘বুমরার মা দালজিৎ কাউর স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষিকা। আমরা তার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পর উনি কিছুতেই জসপ্রীতের সঙ্গে বাবার যোগাযোগ করিয়ে দিতে রাজি হননি। এমনকি ফোন নম্বরও নয়। আমার বাবা এতে খুব কষ্ট পান। শুক্রবার দুপুরে তিনি আমার বাসা ছেড়ে বেরিয়ে যান, আর ফেরেননি।’

গেল শুক্রবার থেকেই নিখোঁজ ছিলেন ৮৪ বছর বয়সী সন্তোকি। অবশেষে রোববার আহমেদাবাদের সাবরমতি নদীর গান্ধি ব্রিজ ও দধিচি ব্রিজের মাঝামাঝি এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ধারণা, হয়ত অভিমানে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন এই বৃদ্ধ। কারণ, নাতির সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হয়নি তার। বুমরার ফুফুর কথাতেও সেদিকেই নির্দেশ। বলেন, ‘আমার বড় ভাইয়ের বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বাবা বলেছিলেন, তোমার মায়ের কাছে চলে যাব।’

রোববার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে খেলতে ধর্মতলায় ছিলেন বুমরাহ। সে সময়ই দাদার মৃত্যুর সংবাদ পান এই ডানহাতি এই পেসার।

  •  
  •  
  •  
  •