ধর্ষনের শাস্তি নপুংসক করে দেয়া
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানে একাধিক ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর যৌন অপরাধীদের রাসায়নিক ব্যবহার করে নপুংসক করে দেওয়া হতে পারে।
এর আগে ধর্ষণের অভিযোগের দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি আরোপে দেশটির পার্লামেন্টে একটি আইন পাস হয়েছে।
বছরখানেক আগে ধর্ষণবিরোধী অধ্যাদেশে সই করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। যাতে দেশটির মন্ত্রিসভারও সায় রয়েছে। এই অধ্যাদেশে ধর্ষকদের রাসায়নিক ব্যবহার করে নপুংসক করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তবে এ আইনের বিরোধিতা করেছেন পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামির সিনেটর মুশতাক আহমেদ। তার মতে, এটি ইসলাম ও শরীয়াবিরোধী। তিনি বলেন, ধর্ষককে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত। কিন্ত শরিয়ায় নপুংসক করে দেওয়ার কোনো বিধান নেই।
বুধবার (১৭ নভেম্বর) পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশনে ৩৩টি বিলের পাশাপাশি ফৌজদারি আইন (সংশোধন) বিল ২০২১ পাস হয়েছে। এতে পাকিস্তানের দণ্ডবিধি ১৮৬০ ও ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সংশোধনের কথাও বলা হয়েছে।
বিলে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী প্রণীত আইন দিয়ে যথাযথভাবে অবগত করা একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক দিয়ে নপুংসক করা হবে। এতে অপরাধীকে সারাজীবনের জন্য যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অযোগ্য করে দেওয়া হবে।
দক্ষিণ কোরিয়া, পোল্যান্ড ও চেক প্রজাতন্ত্রে রাসায়নিক ব্যবহার করে নপুংসক করে দেওয়ার সাজা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি রাজ্যেও এমন সাজার বিধান আছে।

