হাওরাঞ্চলে কার্যক্রম উপযোগী দমকল বাহিনী চাই—-ড নিয়াজ পাশা
ড নিয়াজ পাশা:
চারিদিকে সমুদ্র সম অথৈ থৈ থৈ পানির মাঝে মাথা উঁচু করে জেগে থাকা হাওরাঞ্চলের একটি জনপদ কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আদমপুর বাজার । প্রতিহিংসার আগুণে দাউ দাউ করে জ্বলছে । চারিদিকে পানি । কিন্ত আগুণ নিবাইতে এ পানি ব্যাবহার করতে পারছে না । পানি ছিটানোর কোন যন্ত্র / ব্যবস্থা নাই ।
হাওরবাসি মানুষ তাঁদের সীমিত সাধ্য লুটা, ঘটি, বাটি, বালতি দিয়ে আগুণ নেবানোর ব্যর্থ চেষ্টা করেছেন । লেলিহান আগুণের সাথে তাঁদের এ প্রচেষ্টান ব্যর্থতায় পর্যবেশিত হয় । অসহায়ভাবে তাকিয়ে থাকা ছাড়া তাঁরা আর কি-ই বা করতে পারেন ?
খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জে থেকে নৌ-পথে দমকল বাহিনী আসে । ততক্ষণে ৭৫ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেল । ক্ষতির পরিমাণ প্রায় কয়েক কোটি টাকা ।
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ বাজার কয়েকবার অসহায় ভাবে পুড়ে যেতে দেখেছি । সেই সাথে আমার দাদার তামা-কাসা, ডেক-ডেকচির দোকান আগুণ নিবানোর উচিলায় মানুষ লুটে নিয়ে খালি করে ফেলে । হাওরাঞ্চলের প্রতিটি জনপদে একই অসহায় অবস্থা বিরাজ করছে । আগুণ লাগিলে নিবাইবার কোন উপায় থাকে না ।
শুকনো সময় তা আরো বেশী অসহায়ত্ব অবস্থা বিরাজ করে । সে সময় পানির আবার বড় অভাব । যাতায়াতও মসৃণ নয় । তবে এখন ‘ভুরা আর আভুরা সড়ক’ ব্যবস্থায় যাতায়াতকে অনেকটা সহজ করেছে । হাওরাঞ্চলের গ্রাম-গঞ্জে আগুণ লাগিলে সব পুড়ে ছাই করে-ই আগুণ আপনা আপনি নিবে । মানুষকে করে নিঃস্ব ; ক্ষতি হয়

