গবেষকদের হাতে “অ্যাওয়ার্ড” তুলে দিলো বাউরেস

রোহান ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) দুই দিনব্যাপী বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় ২৯-৩০ মে। কর্মশালায় ১৭ জনকে “গ্লোবাল রিসার্চ ইমপ্যাক্ট রিকোগনাইজেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২১”, ৬ জন উদ্যোক্তাকে “প্রফেসর ড. আশরাফ আলী খান স্মৃতি পুরস্কার-২০২১” এবং ১৭ জনকে প্রকাশনার খরচ হিসেবে ১০০ ডলার করে প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে বুধবার (৯ জুন) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গবেষকদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান, ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক প্রফেসর ড. মোঃ নূরুল হক, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. এ.কে.এম. জাকির হোসেন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পুরুষ্কারপ্রাপ্ত গবেষকবৃন্দ ও উদ্যোক্তাগণ।

এ সময় করোনা মোকাবেলায় সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান বাকৃবি উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান। করোনা পরবর্তী দেশের অর্থনীতিকে সবল করতে কৃষি খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, করোনা পরবর্তী দেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এজন্য প্রয়োজন আরো বেশি গবেষণা। মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে সাউথ এশিয়ান এগ্রিকালচারাল হাব তৈরির চেষ্টা করছে, সেটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাউরেসের সকল গবেষকরা আরো বড় পরিসরে গবেষণা করার সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান বলেন, বাকৃবি শিক্ষকরা প্রতিনিয়ত গবেষণার মাধ্যমে আরো দক্ষতা অর্জন করছেন। তাদের জ্ঞানের পরিধি আরো বাড়ছে যার দ্বারা শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হচ্ছেন। সামনের দিনগুলোতে নতুন নতুন উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ারও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণার দ্বারা শিক্ষার্থীরা কিভাবে উপকৃত হতে পারেন? সবুজ বাংলাদেশ 24 ডট কমের এমন প্রশ্নের জবাবে বাকৃবি উপাচার্য বলেন, যখন দেশী বিদেশী অর্থায়নে কোন গবেষণা প্রকল্পের সুযোগ আসে তখন সেখানে যাতে মাস্টার্স বা পিএইচডির ছাত্রদের স্কলারশিপ সহ সুযোগ থাকে সে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। এছাড়া অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্রদেরও আমরা গবেষণার সাথে সংযুক্ত করার চেষ্টা করি। এসব প্রজেক্টে কাজ করার মাধ্যমে পরবর্তীতে বাইরে স্কলারশিপ পাওয়ার ব্যাপারেও শিক্ষার্থীদের সুবিধা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বাংলাদেশে কৃষি গবেষণায় বাউরেসের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, করোনা মহামারির মধ্যেও বাউরেসের গবেষণা কার্যক্রম থেমে নেই। প্রতিষ্ঠানটি একটি মডেল হিসেবে দেশব্যাপী পরিচিতি পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে ২৮২০ টি গবেষণা সম্পন্ন করেছে। কৃষি খাতে উন্নয়নের লক্ষ্যে বাউরেস অনবরত কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনায় ছিলেন বাউরেসের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: , ,