বাকৃবির বেগম রোকেয়া হলে শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানি ও সীট বাতিলের বিপক্ষে তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেগম রোকেয়া হল ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ কর্তৃক কিছু শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানি ও সীট বাতিলের বিপক্ষে সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের দাবি জানিয়েছে একদল শিক্ষার্থী। শনিবার (২৬ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড.এ.কে.এম জাকির হোসেন এবং হল প্রভোস্ট বরাবর আবেদন পত্রের মাধ্যমে এই দাবি জানান তারা।
আবেদনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তানজিলা মোবাশ্বের স্বর্ণালি কর্তৃক হলের ছাত্রীদের গায়ে হাত তুলতে চাওয়া ও সিনিয়র জুনিয়রদের সাথে বাজে ব্যবহারের অভিযোগও তোলা হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোন প্রোগ্রামে গেলে ঘরবন্দি করে রাখার হুমকি দেয়ার অভিযোগও ওঠে।
আবেদনে আরও বলা হয়, হল প্রভোস্ট কর্তৃক সিট এলোটমেন্ট দেয়ার পরও তা বাতিল করে অন্যদের সিট দেয়া হয়। যেসব শিক্ষার্থী প্রোগ্রামে যায় তাদের চরিত্র নিয়ে বাজে মন্তব্য করা হয়, ড্রাগ এডিকটেড বলে জুনিয়রদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটানো হয়।
আবেদনে কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আবু রায়হান মিথুন তার অনুসারী না হওয়ায় থ্রেট দেন এবং রুম বন্দি করে রাখার হুমকি দেন এমন অভিযোগ তোলেন বেগম রোকেয়া হলের একদল শিক্ষার্থী। এসব বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের সাপেক্ষে সুবিচার দাবি করেন তারা।
উল্লেখ্য এদিন সকালে মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বেগম রোকেয়া হল ছাত্রলীগের একদল কর্মীর সাথে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে বাকৃবি ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশী নেতা তায়েফ রিয়াদের বহিষ্কারের দাবি জানানো হয়। তবে উক্ত হলের আরেকদল ছাত্রলীগ কর্মী তায়েফ রিয়াদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে অপরপক্ষের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ তুলে প্রভোস্ট বরাবর সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে আবেদন পত্র জমা দিয়ে তদন্তের দাবি জানান।
এ বিষয়ে বেগম রোকেয়া হলের প্রভোস্টের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হলের সিট নিয়ে আগে একবার সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল যা পরে বাতিল করা হয় তবে এখন যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে এসব বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেবেন।

