এশিয়ার চালের বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
নিউজ ডেস্ক:
চলতি সপ্তাহে এশিয়ার চালের বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মুদ্রাবাজারে অস্থিরতার কারণে কোথাও বাজার নিম্নমুখী আবার কোথাও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ব্যাপক চাহিদা থাকায় এ সপ্তাহে ভিয়েতনামের চালের রপ্তানি মূল্য বেড়েছে। দেশটির ৫ শতাংশ ভাঙা চাল রপ্তানি হচ্ছে প্রতি টন ৪২৫-৪৩০ ডলারে। এর আগের সপ্তাহে ছিল টনপ্রতি ৪২০-৪২৫ ডলার।
ব্যবসায়ীরা জানান, ভিয়েতনামিজ চালের চাহিদা অব্যাহত বাড়ছে। সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ফিলিপাইনে চালের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফিলিপাইন ভিয়েতনামের সবচেয়ে বড় চাল ক্রেতা দেশ। ঘাটতি পোষাতে দেশটি ভিয়েতনামের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি করবে।
এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশটির স্থানীয় সরবরাহ ধীরে ধীরে কমছে। কারণ গ্রীষ্ম ও শরৎকালীন ফসল উত্তোলন শেষ হয়ে আসছে। এ কারণে আগামী সপ্তাহগুলোয় রপ্তানি মূল্য আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারত বিশ্বের শীর্ষ চাল রপ্তানিকারক দেশ। সম্প্রতি দেশটির মুদ্রা রুপির দাম কমে রেকর্ড সর্বনিম্নে নেমেছে। এটি বাজারকে নিম্নমুখী চাপে ফেলেছে। এছাড়া দেশটির সরবরাহ পরিস্থিতিরও উন্নতি ঘটেছে। এসব কারণে ভারতীয় চালের রপ্তানি মূল্য কমেছে। চলতি সপ্তাহে দেশটির ৫ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চালের রপ্তানি মূল্য দাঁড়িয়েছে টনপ্রতি ৩৭৪-৩৮২ ডলারে। আগের সপ্তাহে রপ্তানি মূল্য ছিল টনপ্রতি ৩৭৬-৩৮৪ ডলার।
সম্প্রতি ভারত ভাঙা চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এছাড়া অন্যান্য চালের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের নতুন রপ্তানি নীতির কারণে রপ্তানিকারকদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে ক্রেতারা ২০ শতাংশ শুল্কে চাল ক্রয় করতে চাচ্ছেন না।

