ডারউনের থিওরী এবং নিও-ডারউনের বাতিল ঘোষণা
হাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর-এর প্রফেসর ড. আব্দুল আহাদ- এর নতুন আবিস্কার প্রবন্ধটির শিরোনাম: “সিফটিং ব্যালেন্স থিওরী অপর নাম পাংকটুয়েটেড থিওরী এবং ডারউনের থিওরী বাতিল, English শিরোনাম
(Punctuated equilibrium theory represents shifting balance theory (of macro and quantum evolution) and invalid Darwin’s theory)”। তার প্রবন্ধটি ভারত থেকে প্রকাশিত ‘Journal of Entomology and Zoology Studies’, Vol.5, no.3 (Part-A), pp.6-12/ ২০১৭ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।এটা একটি Thomson Reuters (ISI) জার্নাল; যে জার্নালের তথ্য যে কোন বিজ্ঞানী নির্ভরযোগ্যভাবে গ্রহন করে। প্রবন্ধটির শিরোনাম বা underline অংশটুকু দিয়ে Smart Phone বা Computer-এ Google Search দিলে প্রবন্ধটি পাওয়া যাবে।
প্রফেসর ড. আব্দুল আহাদ- ১১ পৃষ্ঠার প্রবন্ধে আমেরিকান বিজ্ঞানীর ৩৯ টি জার্নাল ও বইয়ের সর্বাধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন ধরনের তথ্য দ্বারা আরও প্রমাণ করেছেন —আমেরিকার সিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর সিয়ল রিট (Sewall Wright) সিফটিং ব্যালেন্স থিওরী (Shifting balance theory) আবিষ্কার করেন এবং ডারউনের থিওরী ও নিও-ডারউনের বাতিল (invalid) ঘোষণা করেন। হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর সিটফেন জে. গোল্ড (Stphen J. Gould) এবং ন্যাচারাল হিষ্টোরী মিউসিয়ামের প্রোফেসর নীল এলড্রিজ (Nile Eldredge) বৃহৎ/বড় বির্বতনের (Macroevolution) পাংকটুয়েটেড থিওরী (Punctuated equilibrium theory) আবিষ্কার করেন ও ডারউনের থিওরী এবং নিও-ডারউনের বাতিল ঘোষণা করেছেন ।
এই দুটি থিওরীর মূল বিষয় বস্তু হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত প্রভূতির দুঘটার কারনে স্বল্প সংখ্যক জীব কোন ফাঁকা জায়গায় বসবাস (small and isolated population) করলে (যেমন দ্বীপে বসবাস করা জীব) ঐ সব জীব জেনেটিক ড্রিফট(Genetic drift)এর মাধ্যমে বৃহৎ বিতর্নের ফলে ভাগ্যক্রমে হঠাৎ এবং দ্রত (sudden and rapid) নতুন একটি জীব প্রজাতির উৎপত্তি হয় এবং এই ভাবে মানুষসহ পৃথিবীর সমস্ত উদ্ভিদ ও প্রাণীর আপনা-আপনি/ স্বতঃস্ফুতভাবে (Spontaneosly/automatically) উৎপত্তি হয়েছে। উভয় থিওরীর একমত্র প্রমাণ জীবাশ্ম। কারণ জীবাশ্মে গ্রাজুয়াল (gradual) বা ধীর পরিবর্তনের কোন চিহ্ন বা প্রমাণ পাওয়া যায় না (যা ডারইউনের থিওরীর প্রধান প্রমাণ)। জীবাশ্মে মিলিয়ন মিনিয়ন বছরের স্থীর থাকার পর জীবাশ্মে হঠাৎ পরিবর্তন (sudden change in fossils ) দেখা যায় । এছাড়াও জার্মান বিজ্ঞানী ই.মায়ার (E. Mayr) এর অ্যালোপ্যাট্রিক স্পেছিয়েশন থিওরী (Allopatric speciation theory) ও অ্যামেরিকার বিজ্ঞানী এস.এম. স্টানলি (Steven M. Stanley)-এর স্পেসিশ সিলেকশন থিওরী (Species selection theory)
ঐ একইভাবে নতুন প্রজাতি উৎপত্তি দেখিয়েছেন ও তার সমর্থনের হিসেবে জীবশ্মের হঠাৎ পরির্বতনের যুক্তি দিয়েছেন। এই দুজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী-ও নিও-ডারউনের ও ডারউনের থিওরী বাতিল ঘোষণা করেছেন।উদারহণ স্বরূপ আমেরিকান হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর/ বিজ্ঞানী গোল্ড ও এলড্রিজ-এর কয়েকটি হুবহু বক্তব্য তুলে ধরা হলো
Gould and Eldredge declared: i) Invalid claims of gradualism made at the wrong scale—the model of punctuated equilibria does not maintain that nothing occurs gradually at any level of evolution (Gould and Eldredge, 1977, p.121). ii) Invalid claims of gradualism based on inadequate data—we have been struck by the extreme ambiguity (to our admittedly biased eyes) of several cases advanced as contrary to our model. The data are consistent with a variety of evolutionary schemes, and exclusively gradualistic interpretations can only arise from fervent desire (Gould and Eldredge, 1977, p.122). (Ref. Gould, S. J. and Eldredge, N. (1977). Punctuated Equilibria: The Tempo and Mode of Evolution Reconsidered. Paleobiology, 3(2): 115-151).
প্রফেসর ড. আব্দুল আহাদ আরো প্রমাণ করেছেন যে, এই পাঁচজন বিজ্ঞানীর পাঁচটি থিওরী একটি-ই থিওরী, এদেরও মধ্যে কোন পার্থক্য নেই এবং একটি-ই থিওরীকে তাঁরা পাঁচটি ভিন্ননামে চালয়েছেন। অর্থাৎ জেনেটিক ড্রিফট অপর নাম সিফটিং ব্যালেন্স থিওরী, পাংকটুয়েটেড থিওরী, অ্যালোপ্যাট্রিক স্পেছিয়েশন থিওরী এবং স্পেসিশ সিলেকশন থিওরী ।
তিনি আরো প্রমাণ করেছেন যে, কোন বিজ্ঞানী যদি প্রমাণ করতে পাওে জেনেটিক ড্রিফট (Genetic drift) কোন নতুন জীব উৎপন্ন করতে সক্ষম নয় এবং জীবাশ্মে কোন হঠাৎ পরিবর্তনের চিহ্ন নেই। তাহলে তিনি এই চারটি থিওরী ভূল প্রমাণ বা বাতিল করতে সক্ষম হবেন।

