সিনোফার্ম ভ্যাক্সিনের যত কথা
রাগিব হাসান বর্ষণঃ সারাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভ্যাক্সিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আবাসিক শিক্ষার্থীদের প্রথমে ভ্যাক্সিনের আওতায় আনার উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
ভ্যাক্সিন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ভ্যাক্সিন কতটা কার্যকর হবে তা থেকে শুরু করে ভ্যাক্সিন কতদিন পর্যন্ত আমাদের সুরক্ষা দেবে এধরনের অনেক প্রশ্নের উদয় হয়েছে।
আবাসিক শিক্ষার্থীদের সিনোফার্মের তৈরি ভেরোসেল নামক ভ্যাক্সিন দেয়া হচ্ছে, সিনোফার্ম চায়নার রাষ্ট্রয়াত্ব একটি প্রতিষ্ঠান। গত ৭ মে বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পায় ভ্যাক্সিনটি। মূলত ৭ টি দেশে এর ট্রায়াল পরিচালিত হয় এর মাঝে ব্রাজিলে এই ভ্যাক্সিনের ট্রায়ালে ৫০.৪% কার্যকারিতা প্রকাশ পায় কিন্তু এরপরে অন্যান্য দেশের ট্রায়ালে এর কার্যকারিতা গড়ে ৭৮% বলে প্রকাশিত হয়। বিশেষত সংযুক্ত আরব আমিরাতে এর কার্যকারিতা ৮৬% পাওয়া যায়।(তথ্যসূত্রঃhttps://www.bbc.com/news/world-asia-china-55212787)
সিনোফার্মের ভ্যাক্সিন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে ভ্যাক্সিন বানানোর প্রাচীনতম পদ্ধতির একটি, এখানে একটি নিষ্ক্রিয় করোনাভাইরাস কে ব্যবহার করা হয়েছে যাতে এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষণ দিতে পারে।
ভ্যাক্সিনটির তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে এর তেমন মারাত্বক কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। শতকরা ৫% ভলান্টিয়ারদের ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ভ্যাক্সিনটির দুইটি ডোজ নিতে হবে, প্রথম ডোজ নেয়ার চার সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে।
ভ্যাক্সিনটি ঠিক কতদিন সুরক্ষা দিতে পারবে এই ব্যাপারে গবেষণা এখনো চলমান আরো কিছুদিন যাওয়ার পর এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে আশা করা যায়।
উল্লেখ্য সম্প্রতি অক্সফোর্ড-এস্ট্রোজেনেকার তৃতীয় বুস্টার ডোজ ইংল্যান্ডে দেয়া হচ্ছে কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য।

