রফিকুল মাদানীর ফোনে আপত্তিকর ভিডিও পেয়েছে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা
নিউজ ডেস্কঃ ইন্টারনেটে ‘শিশুবক্তা’ হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম। তাকে রফিকুল ইসলাম মাদানী নামেও অনেকেই জানেন।
কিছুদিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকার সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। পরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এরপরই তিনি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন।
বুধবার দুপুরে আবারো রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। রাষ্ট্রবিরোধী ও উসকানিমূলক কথাবার্তা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি। পরে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে রফিকুল ইসলাম মাদানীর মোবাইল ফোনে আপত্তিকর ‘এডাল্ট কনটেন্ট’ বা অশ্লীল ভিডিও পেয়েছে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। মঙ্গলবার (১৩ এপিল) গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার ইলতুৎ মিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মাদানী নিয়মিত পর্নোগ্রাফি ভিডিও দেখাসহ রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ৮(৫) (ক) ধারা যুক্ত করা হবে।
উল্লেখ্য রফিকুল ইসলামের কণ্ঠ, শারীরিক গঠন ও মুখাবয়বের কারণে তাকে কম বয়সী ছেলেদের মতো মনে হয়। তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, ১৯৯৪ সালে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলায় তার জন্ম। সে হিসেবে তার বর্তমান বয়স ২৭ বছর। জানা গেছে, রফিকুল ইসলামের চার ভাই ও তিন বোন।
তিনি নেত্রকোনার একটি মাদ্রাসায় হিফজুল কোরআন পড়াশুনা করেন। এরপর তিনি ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি মাদ্রাসায় আসেন। সেখানে কয়েক বছর পড়াশোনা শেষে তিনি চলে চলে যান গাজীপুরের কোনাবাড়িতে একটি মাদ্রাসায়। সেখানে কিছুদিন পড়াশোনা করার পর ঢাকার বারিধারা এলাকায় অবস্থিত একটি মাদ্রাসা থেকে তিনি দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স সমমানের) পাশ করেন।

