প্রফেসর ড. মনসুরুল আমিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ
বাকৃবি প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সিন্ডিকেট সদস্য ও ভেটেরিনারি অনুষদের মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মনসুরুল আমিনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।
প্রফেসর ড. মো. মনসুরুল আমিন, পিতা-আহমেদ উল্যাহ, মাতা-ফিরোজা খাতুন, লক্ষীপুর জেলার পশ্চিম লক্ষীপুর গ্রামে ভু্ইঁয়া বাড়ীতে ১৯৪২ সনের ১লা জুলাই জন্ম গ্রহণ করেন। পেশাগত জীবনে বিভাগীয় প্রধান (৩০/০৬/১৯৯০-০৯/০৯/১৯৯০), অনুষদীয় ডীন (৩০/০৬/২০০০-২৯/০৬/২০০২), ছাত্র-বিষয়ক উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ৫২টি বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা, ৬৮টি ছাত্রের এম,এস সুপারভাইজার, ৫৫টি ছাত্রের কো-সুপারভাইজার, ৪টি ছাত্রের পিএইচডি সুপারভাইজার এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ, অক্সফোড সহ ইউরোপের ইতালী, ফ্লোরেন্স, ভ্যাটিক্যান সিটি, ভেনিস, স্পেন, অস্ট্রিয়া, ফান্স ভ্রমণ এবং বিভিন্ন শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।
এছাড়াও কমনওয়েলথ ফেলোশীপ ফর ভেটেরিনারি সায়েন্সট্সিটি প্রাপ্ত হয়ে ভারতের মুক্তেস্বর ও ইজ্জতনগর ভেটেরিনারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আই,ভি,আর,আই) এবং আগ্রা, দিল্লী, মোম্বাই ও কলিকাতাস্থ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানসমূহ পরিদর্শন করেন। ২০০৭ সনে শিক্ষকতার আনুষ্ঠানিক অবসর গ্রহণ শেষে বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ; চট্টগ্রাম কলেজ অভ ভেটেরিনারী এ্যান্ড এ্যানিমেল সায়েন্স, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং শেরে-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে শিক্ষক নিয়োগ কমিটি সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অবসর গ্রহণ শেষে তিনি বাকৃবি মাইক্রোবায়োলজী এ্যান্ড হাইজিন বিভাগে খন্ডকালীন শিক্ষকতায় নিয়োজিত ছিলেন।
ড. আমিন ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের অভিভাবক। তাঁর মৃত্যুতে ভেটেরিনারি পেশা একজন মহান শিক্ষাবিদ ও প্রশাসক হারালো এবং বিশ্ববিদ্যালয় হারালো একজন অভিভাবক।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও ভেটেরিনারি অনুষদের মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মনসুরুল আমিন গত ২৭ নভেম্বর দিবাগত রাতে ১১টা ১৫ মিনিটে ঢাকাস্থ বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসারত অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি……রাজীউন)।

