রমেকে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লাড়ছে পল্লব

সনজিৎ কুমার মহন্ত:

অপরের ঝগড়া মেটাতে গিয়ে নিজেই আক্রোশের শিকার হলেন পল্লব। এলোপাথারী মারপিটে জ্ঞান হারিয়ে রংপুর হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির এই ছাত্র। সে মিঠাপুকুর উপজেলার ১৫ নং বড় হযরতপুর ইউনিয়নের হাসনের পাড়া গ্রামের কুশল চন্দ্র রায়ের পুত্র। প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে নানকর বেগম রোকেয়া টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে ঝগড়ায় জড়িয়ে পরে একই ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে মিঠু ও মঞ্জুর হোসেন পুত্র শামীম। বিবাদমান জগড়া মেটাতে এগিয়ে যায় স্থানীয় হাসনের পাড়া গ্রামের কুশল চন্দ্র রায়ের পুত্র পল্লব। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মিঠু। ফতেপুর গ্রামের মোকসেদ আলীর পুত্র শাকিলের সহযোগিতায় মিঠু মিয়া পল্লবকে এলাপাথারী মারপিট করে। মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে পল্লব। পরে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তারা ব্যর্থ হলে। দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় পল্লবকে। বর্তমানে সে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধিন রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে ১৫ নং বড় হযরতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নওশা মিয়া বলেন ঘটনাটি শুনেছি। যে ছেলেটিকে প্রহার করা হয়েছে সে নিতান্তই একটি অসহায় পরিবারের সন্তান। শিক্ষিত ছেলে। তবে আমার চেয়ারম্যান পদের দায়িত্বের মেয়াদ প্রায় শেষ। তাই আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

  •  
  •  
  •  
  •