মুন্সীগঞ্জে টমেটোর বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা:

মুন্সীগঞ্জে এবার টমেটোর আবাদ বেড়েছে, ফলনও হয়েছে ভাল। টমেটোর বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি।

দেখতে আকর্ষণীয়, উৎপাদন বেশি এবং সংরক্ষণে সুবিধাজনক বলে এ জেলায় আপেল সাদৃশ হাইব্রিড জাতের টমেটোর আবাদ হয় বেশি।

জেলা সদর উপজেলার কৃষক গাজী রহিমউদ্দিন জানান, তিনি এবার গত বছরের চেয়েও দ্বিগুণ বেশি  টমেটোর আবাদ করেছেন। গাছে গাছে টমেটোর ছড়াছড়ি। এ বছর তিনি টমেটো বিক্রি করে ভাল লাভবান হবেন বলে আশা করছেন।

তার মতে, মুন্সীগঞ্জে গত অর্থ বছরে (২০১৬-২০১৭) সবজি ফলনে প্রথম অবস্থানে ছিল। এবারও সে অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে।

গাজী রহিমউদ্দিন টমেটোর গুনাগুণ সম্পর্কেও সচেতন। তিনি জানান, টমেটো শুধু রঙ বাহারি রূপে নয় গুণেও সেরা। দেহকে নানা রকম রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত রাখতে টমেটো কার্যকরী। টমেটোতে আছে চার রকমের ভিটামিন ‘এ’। আছে ক্যানসার কোষ বিনষ্টকারী উপাদান। তবে কিডনি রোগীদের বেশি টমেটো খাওয়ায় মানা আছে।

মুন্সীগঞ্জের স্থানীয় কৃষি বিভাগও জানিয়েছে- গত বছরের চেয়ে এবার টমাটোর আবাদ বেড়েছে। ফলনও গতবছরের চেয়ে বেশি। এবার ভাইরাসের আক্রমণ নেই, জটা লাগেনি, ফলন ভালো। দামও ভাল। তাই টমেটো চাষিদের মুখে হাসি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর জানান, এবার মুন্সীগঞ্জ জেলায় ২১৮ হেক্টর জমিতে টমেটোর আবাদ হয়েছে। গত বছর আবাদ হয়েছিলো ২০২ হেক্টর জমিতে। গতবছর হেক্টর প্রতি টমেটো উৎপাদন হয়েছিল ৩৩ দশমিক ৮৪ মে. টন। এবার হেক্টর প্রতি ৩৪-৩৫ মেট্রিক টন উৎপাদন হবে বলে মনে করছেন তারা।

তিনি জানান, অক্টোবর-নভেম্বরে টমাটোর আবাদ শুরু হয় এবং জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে তোলা শুরু হয়। এ জেলার জমি নিচু বলে টমেটো আবাদ অন্যান্য জেলার তুলনায় বিলম্বে শুরু হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  

Tags: