কফি, কাজুবাদামসহ অপ্রচলিত ফসলের চাষাবাদে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেয়া হবে
নিউজ ডেস্কঃ
কাজুবাদাম, কফিসহ অপ্রচলিত ফসলের চাষাবাদে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।
রোববার (৪ অক্টোবর) অনলাইনের মাধ্যমে নীলফামারীর জ্যাকপট কাজুবাদাম ইন্ড্রাস্ট্রির প্রসেসিং ইউনিট-২ এর উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘কফি, কাজুবাদামসহ অপ্রচলিত ফসলের চাষাবাদ ও প্রক্রিয়াজাতে কৃষক ও উদ্যোক্তাসহ যারা এগিয়ে আসবেন তাদেরকে উন্নত জাতের চারা সরবরাহ, উৎপাদনে পরামর্শ, কারিগরি ও প্রযুক্তিসহ সবক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেয়া হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘কাজুবাদাম অত্যন্ত সম্ভাবনাময় অর্থকারী ফসল। দেশে কাজুবাদাম চাষ ও উৎপাদনের সম্ভাবনা অনেক। বিশেষ করে, পার্বত্য এলাকা ও উত্তরাঞ্চলের জেলায় কাজু বাদাম, কফি চাষের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বিদেশে রফতানির জন্যও রয়েছে প্রচুর সুযোগ। আন্তর্জাতিক বাজারে এসব ফসলের চাহিদা অনেক বেশি।’
মন্ত্রী এ সময় কৃষক ও শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তাদের বাণিজ্যিকভিত্তিতে কাজুবাদাম, কফিসহ অপ্রচলিত ফসল চাষাবাদে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জ্যাকপট কাসুনাট ইন্ডাট্রিজের ওপর উপস্থাপনায় বলা হয়, ২০১৬ সালের জুনে প্রধান উদ্যোক্তা ইবনুল আরিফুজ্জামান নীলফামারী জেলার স্টাফ কোয়ার্টার মোড়ে ‘জ্যাকপট কাসুনাট ইন্ডাট্রিজ লিমিটেড’ নামে কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে তোলেন। সঙ্গে ছিলেন সহ-উদ্যোক্তা রবিউল ইসলাম, মোমিনুল ইসলাম ও জনি সাহা। শুরুতে মাত্র ১৫ জন কর্মী নিয়ে শুরু হলেও এখন কারখানায় ৫০ জন কর্মী কাজ করেন, যার ৪৯ জনই নারী। বর্তমানে কারখানাটির মাসিক উৎপাদন চার হাজার কেজি। শুরুতে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হলেও এখন তা সুপারশপ এবং দেশের অন্যান্য জায়গায় বাণিজ্যিভাবে বিক্রি হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আবদুল মুঈদ, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. মোখলেছুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক মেহেদী মাসুদ, জ্যাকপট কাজুবাদাম ইন্ড্রাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান প্রামাণিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

