ফার্ম জীবাণুমুক্ত রাখতে যা করতে হবে
নিউজ ডেস্কঃ
কয়েক ব্যাচ মুরগী পালন করার পর মাইক্রোবিয়াল লোড বৃদ্ধির কারণে প্রত্যেকটি খামারের উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। এক্ষেত্রে যাদের খামারের মেঝে মাটি দিয়ে তৈরী তাদের খামারে মাইক্রোবিয়াল লোড দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং উৎপাদন ক্ষমতাও দ্রুত হ্রাস পায়। যার কারণে খামার থেকে প্রোফিটের পরিমান হ্রাস পেতে থাকে।
এই সমস্যা নিরসনে যা করণীয়
১. এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে যাদের খামারের মেঝে মাটি দিয়ে তৈরী তারা কয়েক ব্যাচ মুরগী পালন করার পর খামারের মেঝে থেকে ইঞ্চি খানেক মাটি কোদাল দিয়ে তুলে অন্যত্র ফেলে দিতে হবে।
২. অন্য কোথাও থেকে মাটি এনে খামারের মেঝে ভরাট করে দিতে হবে।
৩. এরপর যথানিয়মে জীবাণুনাশক, চুন, ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করে খামার জীবানুমুক্ত করতে হবে।
৪. প্রতি ৪-৬ মাস অন্তর অন্তর খামারের মেঝে থেকে মাটি তুলে ফেলে দিয়ে নতুন মাটি দিয়ে ভরাট করে দিতে হবে।
আর এই কাজগুলো করলে খামারে মাইক্রোবিয়াল লোড হ্রাস পায় এবং খামারের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।

