বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭১ গবেষক

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

সম্প্রতি বিশ্বসেরা গবেষকদের নিয়ে প্রকাশিত অ্যালপার ডগার (এডি) সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‌্যাংকিং প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৭১ জন শিক্ষক। র‌্যাংকিংয়ে ১২ ক্যাটাগরিতে বিশ্বের ২০৬টি দেশের গবেষকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৭ লাখ ৮ হাজার ৫৬১ গবেষক স্থান পেয়েছেন। গবেষকদের গুগল স্কলারের রিসার্চ প্রোফাইলের বিগত ৫ বছরের গবেষণার এইচ ইনডেক্স, আইটেন ইনডেক্স এবং সাইটেশন স্কোরের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে এ র‌্যাংকিং।

র‌্যাংকিং এ স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের মোট ১ হাজার ৭৯৪ জন গবেষক। এদের মধ্যে বাকৃবি থেকে স্থান পেয়েছেন- ড. মো. রফিকুল ইসলাম, ড. এম. জি. মোস্তফা আমনি, ড. মো. তাজউদ্দিন, ড. মো. আক্তারুজ্জামান খান, ড. চয়ন কুমার সাহা, ড. মো. রফিকুল ইসলাম, ড. আক্তারুজ্জামান খান, ড. আনিছুর রহমান, ড. মো. জুয়েল আলম, ড. মো. রফিকুল ইসলাম, ড. মুক্তা খান, ড. মো. রাশেদুল ইসলাম, ড. মো. জাহিরউদ্দিন, ড. আরিফুল ইসলাম, ড. মো. আনোয়ার হোসাইন, ড. রমিজ উদ্দিন, ড. মো. আব্দুর রহমান সরকার, ড. জোয়ার্দার ফারুক আহমদে, ড. মো. আশরাফুজ্জামান, ড. মো. আনোয়ার হোসাইন, ড. মোস্তফা আলি রেজা হোসাইন, ড. রমিজ উদ্দিন, ড. শাহজাহান, ড. গোলাম শাহী আলম, ড. শামসুল আলম, ড. আমানুল হক, ড. মশিউর রহমান, ড. তাহমিদ হোসাইন খান, ড. এম. এ. রহিম, ড. এস. এম. লুৎফুল কবির, ড. বাহানুর রহমান, ড. এস. এম. ই. রহমান, ড. ইমদাদুল হক চৌধুরী, ড. কাজী রফিক, ড. মো. মাহফুজুল হক, ড. সালেহা খান, ড. তানভির রহমান, ড. মাহফুজা বেগম, ড. তাওহিদুল ইসলাম, ড. আব্দুল আলিম, ড. এস. ডি চৌধুরী, ড. মো. মোশাররাফ উদ্দিন ভূঁইয়্যা, ড. এ. কে এম. আনিসুর রহমান, ড. এম. এ. হাশমি, ড. আলমগীর হোসনে, ড. মোখলেসুর রহমান, ড. এম. এ. মজিদ, ড. মো. আজহারুল হক, ড. শহদিুল হক এবং ড. কে. এইচ. এম. নাজমুল হোসেন নাজির সহ আরো ১২১ জন শিক্ষক।

বাংলাদেশের মোট ১ হাজার ৭৯৪ জন গবেষকের মধ্যে বাকৃবির মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সব ধরনের ক্যাটাগরিতে বাকৃবিতে প্রথম এবং দেশে ১৫ তম স্থান লাভ করেছেন।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের এই অর্জনে অনুভূতি ব্যক্ত করে সবুজ বাংলাদেশ24 ডট কমকে বলেন, ” আমি আমি বিশ্বাস করি- একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রধান চারটি কাজ রয়েছে-

১. জ্ঞান আহরন করা।
২. গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান কে সৃষ্টি করা- যার জন্য আগে জ্ঞান অর্জন করা জরুরি, এতে জ্ঞানের পরিপূর্ণতাও আসে।
৩. অর্জিত জ্ঞানকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা।
৪. শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং করা, তাদের সঠিক পথে পরিচালনা করা।

আমি আমার শিক্ষকতা জীবনে চেষ্টা করেছি এই চারটি কাজ করার। তাছাড়া গবেষণা আমার ভালো লাগে, আমি গবেষণা করি নিজের প্রচার প্রসারের জন্য নয়। এটি আমার নৈতিক দায়িত্ব! আমি আমার কর্তব্যের জায়গা থেকে কাজ করি যাতে- এটি দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হয়, পৃথিবীর জন্য কল্যাণকর হয়।”

শিক্ষকদের এ সাফল্য বাকৃবি পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণায় আরোও অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিবে। এই গবেষকদের হাত ধরেই বাংলাদেশের কৃষি আরও সমৃদ্ধ হবে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: , , , ,