পাইকারি বাজারে বেড়েছে আলু ও রসুনের দাম
অর্থনিতী ডেস্ক:
আমদানি কম হওয়ায় পাইকারি বাজারে বেড়েছে আলু ও সব ধরনের রসুনের দাম। অন্যদিকে আগের মতোই রয়েছে ডাল, তেল ও মসলার বাজার। তবে কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে আমদানি করা শুকনা মরিচের দর।
চলতি মাসের শুরুতে এক দফা বেড়ে এখন স্থিতিশীল চালের বাজার। রাজধানীর পাইকারি বাজারে মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৭ টাকায়, আটাশ ৩৭ থেকে ৪০, গুটি স্বর্ণা ৩৬ থেকে ৩৭ এবং মোটা চাল ৩৪ থেকে ৩৭ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক দিনের মধ্যে বাজারে নতুন চাল আসবে। তবে মিনিকেট ও আটাশ চালের দাম কমবে না।
এদিকে দেশি পেয়াজের দাম আগের মতো থাকলেও কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা কমেছে আমদানি করা পেয়াজের দর। তবে কেজি প্রতি আমদানি করা রসুনের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। একইভাবে দেশি রসুনের দাম ৪ থেকে ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। আর সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতি কেজি আলুর দাম তিন থেকে ৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২১ টাকায়।
বাজারে সব ধরনের ডালের দাম রয়েছে আগের মতোই। এক কেজি মসুর ১২২ থেকে ১২৫, বুট ৯৩ থেকে ৯৪, ছোলা ৮০ এবং মানভেদে মুগডাল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮৫ টাকায়। অন্যদিকে শীতে পাম অয়েলের চাহিদা কমে গেলেও সয়াবিনের দাম বাড়বে না বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
পাইকারি এ বাজারে দেশি শুকনা মরিচের দাম আগের মতো থাকলেও কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে আমদানি করা শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়।
সূত্র: সময় টিভি

