আবারো পেয়াজের বাজারে অস্থিরতা
নিউজ ডেস্ঃ
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও পেঁয়াজের বাজার অস্থির হওয়ার আভাস মিলছে। গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার পর পেঁয়াজের দাম দ্বিশতক পেরিয়ে যায়। তবে কাকতলীয়ভাবে এবারও সেই সেপ্টেম্বর মাসে দাম বাড়ছে পেঁয়াজের! ব্যবসায়ীদের দাবি, দেশের পেঁয়াজের বাজার আমদানি নির্ভর। তাও আবার ৯৫ শতাংশই ভারতীয় পেঁয়াজের ওপর নির্ভরশীল। বন্যা ও বৃষ্টি কারণে ভারতের বাজারেও পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।
এর প্রভাবে দেশে ভারতীয় পেঁয়াজের সরবরাহ হঠাৎ করে কমে যাওয়ায় দামও বাড়তির দিকে। নগরীর ভোগ্যপণ্যের বৃহৎ পাইকারী বাজার চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের কোনো ধরনের সংকট নেই। সরবরাহও স্বাভাবিক রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। সেসব পেঁয়াজ আড়তদারদের গুদামে মজুদ রয়েছে।
এখন পর্যন্ত যেহতু ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ রপ্তানি করছেন, তাই সহসা পেঁয়াজের দাম খুব বেশি বাড়বে না জানালেন ব্যবসায়ীরা। তবে ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দিলে তখন পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। এক্ষেত্রে আগে থেকেই ব্যবসায়ীদের মিয়ানমার, মিশর ও তুরস্কের মতো দেশগুলোতে পেঁয়াজ আমদানির প্রস্তুতি নেয়া লাগতে পারে বলে মত দেন কয়েকজন ব্যবসায়ী।
খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, পেঁয়াজের দাম সামান্য বাড়লেই অভিযোগ ওঠে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে করেই দাম বাড়ান। আসলে বিষয়টি ঠিক নয়। পেঁয়াজ পচনশীল পণ্য। চাইলেই পেঁয়াজ বেশিদিন মজুদ করে রাখা যায় না। বাজারের ধর্মটাই হচ্ছে- সাপ্লাই বেড়ে গেলে দাম কমে, সাপ্লাই কমলে দাম বাড়ে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারতীয় পেঁয়াজের বুকিং রেট বেড়ে গেছে। এর প্রভাবেই মূলত পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। বর্তমানে পাইকারীতে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি ৩৮ টাকা দরে। তাই অস্থির হচ্ছে বলার সময় তো এখনো আসেনি।
এদিকে জানা গেছে, গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১৫ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়।

