সিকৃবি থেকে কুলিয়ারচর ভ্রমণ
সিকৃবি প্রতিনিধি:
“বাংলাদেশে মাছ ভোক্তা লেভেলে মানসম্মতভাবে পৌছানোর জন্য প্রসেসিং ও প্যাকেজিংয়ে বায়োসিকিউরিটি এত পুঙ্খানুপুঙ্খরুপে মানা হয় তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যেত না এবং একজন মৎস্যবিদ হয়ে মাছ উৎপাদন ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ভোক্তাদের মধ্যে পৌঁছাতে অবদান রাখতে পারবো ভেবেই ভালো লাগছে।” এভাবেই বললেন সিকৃবি’র ফিসারিজ অনুষদের শিক্ষার্থী ছাদেকুল আমান ভূঁইয়া।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ অনুষদ ৬ষ্ট ব্যাচের শিক্ষার্থীরা গত ২রা ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে একদিনব্যাপী ট্যুর সম্পন্ন করে। লেভেল-৩, সেমিস্টার -২ পর্বের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ ট্যুর প্রায় প্রতিবারই হয়ে থাকে। শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে কলমে দক্ষ করতেই এ ব্যবস্থা করা হয়। ফিসারিজ অনুষদ ৬ষ্ট ব্যাচের ৬৯ জন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহন করে। এতে ফিসারিজ টেকনোলজি এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিভাগের শিক্ষকদের মধ্যে ড.মোঃ আবু সাঈদ, ড. মোঃ মোতাহের হোসেন ও ড. মোঃ আবু জাফর বেপারী ট্যুরের ব্যবস্থাপনা ও নির্দেশনায় ছিলেন।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কুলিয়ারচরের কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডে সকালের দিকে পৌঁছান। এরপর ইউনিটের নিয়মানুযায়ী বায়োসিকিউরিটি গ্রহন করে শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা মূল ইউনিট ঘুরে দেখেন। এসময় শিক্ষার্থীরা মাছ প্রসেসিং, চিলিং ও প্যাকেজিংয়ের অত্যাধুনিক প্রক্রিয়াকরন পদ্ধতি দেখেন। হ্যাজার্ড এনালাইসিস এন্ড ক্রিটিক্যাল কন্ট্রোল পয়েন্ট (HACCP)প্রতিটি ধাপের বিস্তারিত কার্যপ্রণালী শিক্ষার্থীরা অবলোকন করেন। মাছের এক্সপোর্ট কোয়ালিটি নিশ্চিতকরনের বিভিন্ন দিক নিয়েও কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন। এসময় ডিরেক্টর মোঃ আলমগীর সহ ফ্রেশ ওয়াটার ইউনিটের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ট্যুরের অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে কতটুকু কার্যকর এ বিষয়ে ফিসারিজ টেকনোলজি এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিভাগের শিক্ষক ড. মোঃ মোতাহের হোসেন বলেন, “এই ট্যুরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তত্ত্বীয় জ্ঞানের পূর্ণতা পেল। একজন দক্ষ মৎস্যবিদ হওয়ার জন্য মাছের কোয়ালিটি কন্ট্রোল ও নিত্যনতুন টেকনোলজি ব্যবহারের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সম্যক ধারনা দিতে এ ট্যুর কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি জানান।

