বাকৃবিতে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে যুগোপযোগী পরিকল্পনার আহ্বান

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি বছর দক্ষ গ্রাজুয়েট তৈরী করে আসছে। উন্নত জাতের ফসল উৎপাদন, প্রাণিসম্পদের উন্নয়ন ও মৎস্য সম্পদের উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরো দক্ষমানের গ্রাজুয়েট তৈরী করতে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের প্রয়োজন বলে মনে করেন বাকৃবির বিশেজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার সকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির বার্ষিক সেমিনারে বক্তারা উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে যুগোপযোগী পরিকল্পনার আহ্বান জানান।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. খন্দকার শরীফুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলী আকবর, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রহমান সরকার।

‘বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যত করণীয়’ র্শীষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপণ করেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. জহির উদ্দিন।

এসময় বক্তার বলেন, বাকৃবির অনন্য অবদানের জন্য সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ সবজি উৎপাদনে ৪র্থ অবস্থানে এবং মৎস্য উৎপাদনে ৫ম অবস্থানে রয়েছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ১৬,২৯৮জন মাস্টার্স এবং ৫৩৮জন পিএইচডি ছাত্র বাকৃবি থেকে বের হয়েছে এবং বর্তমানে ১২০৯জন মাস্টার্স এবং ৩৯৫জন পিএইচডি ছাত্র অধ্যয়নরত রয়েছে। বাকৃবিতে পোস্ট গ্রাজুয়েট শিক্ষার মান দিন দিন খারাপ হচ্ছে। অনেক মাস্টার্স, পিএইচডি ছাত্রদের থিসিস পেপারের গুণাগুণ যথেষ্ঠ মানসম্মত হচ্ছে না।

সেমিনারে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে মাস্টার্সে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সিজিপিএ ২.৫ এর পরিবর্তে ৩.২৫ (৪.০ এর মধ্যে) এবং এক জন কোর্স-সুপারভাইজার সর্বোচ্চ ৩জন শিক্ষার্থীকে সুপারভাইজ করতে পারবেন এমন নিয়ম চালু করার সুপারিশ করা হয়। সেই সাথে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যলয়ের অভ্যান্তরীণ আয় বাড়ানোরও পরামর্শ দেওয়া হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  

Tags: