কুবিতে বহিরাগত বখাটের দ্বারা ছাত্রী ইভটিজিংয়ের শিকার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
বহিরাগত এক বখাটের দ্বারা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক ছাত্রী ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছেন। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাফেটেরিয়ার সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঐ ইভটিজারকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে সোপর্দ করে। ইভটিজিংয়ের শিকার ঐ ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা যায়। আটক ঐ ইভটিজার মো: ইমরান হোসেন (৩০), পিতা সেলিম চৌধুরী (৫৫)। সে বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক । সে কুমিল্লার টমসম ব্রিজ নামক এলাকায় থাকে বলে জানা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায় , ইমরান হোসেন এই ছাত্রীকে এক বছর ধরে বিরক্ত করে আসছিল। মঙ্গলবার সে ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাইকে করে জিদনী নামে তার এক সহযোগিকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে । সে ছাত্রীর পেছনে পেছনে তার বিভাগে যায়। শিক্ষার্থীর মেয়ে বন্ধুরা তাকে (ইভটিজার) দেখে ভয়ে মেয়েকে শ্রেণী কক্ষে আটকিয়ে রাখে। পরে সে দরজায় বাহির থেকে ধাক্কা-ধাক্কি করতে থাকে। এক পর্যায়ে মেয়ের সাথে একটু কথা বলবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় মেয়েকে নিয়ে আসে। এ সময় সে মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে থাকে । পরে মেয়ের বন্ধুরা ইমরানকে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে সোপর্দ করে।
ইভটিজিংয়ের শিকার ঐ ছাত্রী জানান, “সে দীর্ঘ দিন ধরে সে আমাকে উত্তক্ত করে আসছে। তার ভয়ে গত জানুয়ারি মাসে কুমিল্লা সদর দক্ষিন মডেল থানায় সাধারণ ডায়রী ( জিডি) করেছি। শহরের মেস ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে এক মেসে উঠেছি। এখন ক্যাম্পাসে এসেও আমাকে বিরক্ত করে”।
এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোঃ আইনুল হক বলেন, “ভবিষৎতে এই ধরনের কর্মকা- আর করবে না এই মর্মে আমরা মুসলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দিচ্ছি যদি এই ধরনের ঘটনার পুর্ণরাবৃত্তি ঘটে তাৎক্ষণিক তাকে পুলিশে সোপার্দ করা হবে”। ইভটিজিংয়ের শিকার ঐ শিক্ষার্থী সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •