বাকৃবিতেও করোনার হানা, গুরুতর অসুস্থ প্রফেসর ড. আজহারুল

azhar

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশব্যাপী বেড়েছে মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। কঠোর বিধিনিষেধ, লকডাউন কিংবা শাটডাউন কোন পদ্ধতিই যেনো করোনাকে রুখতে পারছে না। বিশেষ করে করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দেশে শনাক্তের পরে দৈনিক সংক্রমণের হার ৩০ এর উপরে থাকছে।

দেশব্যাপী করোনা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতির এই ঢেউ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েও। ক্যাম্পাসের অনেকেই করোনা আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টার এবং শিক্ষক সমিতি প্রশাসনের সাথে নিবিড়ভাবে বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সুভাস চন্দ্র দাস।

জানা গেছে, বাকৃবির মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রফেসর ড. আহসান বিন হাবিব এবং তার পুত্র সাফিনের করোনা উপসর্গ দেখা গেছে। শরীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাফিনকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

এছাড়া পশু প্রজনন ও কৌলি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও সদ্য সাবেক প্রক্টর প্রফেসর ড. আজহারুল হক তপু করোনায় আক্রান্ত। তার ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে।

ক্যাম্পাসের করোনা পরিস্থিতির অবনতি বিষয়ে সবুজ বাংলাদেশ 24 ডট কমের পক্ষ থেকে বাকৃবি হেলথ কেয়ার সেন্টারের চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ সাঈদুর রহমান শওকতের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বাকৃবি ক্যাম্পাসে অনেকেই এখন করোনায় আক্রান্ত এমনকি হেলথ কেয়ার সেন্টারের ডাক্তারসহ দশের অধিক কর্মকর্তা কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ক্যাম্পাসের করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে হেলথ কেয়ার সেন্টার।

হঠাৎ ক্যাম্পাসে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার কারণ কি? এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. সাঈদুর রহমান বলেন, বহিরাগতদের অবাধ বিচরণ নিয়ন্ত্রণ না করাই এর প্রধান কারণ। এছাড়া অনেকে গ্রাম থেকে আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন, তাদের মাধ্যমেও করোনা ছড়িয়ে থাকতে পারে। তাই ক্যাম্পাসকে করোনামুক্ত রাখতে হলে এখনই বহিরাগতদের আগমন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

এমন পরিস্থিতিতে বাকৃবি উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান সকলকে সতর্ক থাকার এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: ,