পরীমনিকে থাপ্পড় মারেন নাসির-অমি, সিসিটিভি ফুটেজে মিলল ধর্ষণচেষ্টার প্রমাণ

cctv

বিনোদন ডেস্কঃ পরীমনির মামলায় গ্রেফতার হয়ে রিমান্ডে সাত দিনের রয়েছেন নাসির ইউ মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমি। গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, রিমান্ডে তারা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।

বুধবার দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘দুজনেই পরীমনিকে গালে থাপ্পড় মারা ও তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এছাড়া সেদিন বোট ক্লাবে কি ঘটেছিল? কার কি ভূমিকা ছিল সবকিছুই সিসি ক্যামেরার ফুটেজে আছে।’

৯ জুন রাত ১২ টা ২২ মিনিট। সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ঢাকা বোট ক্লাবের সামনে দাঁড়াল একটি কালো গাড়ি। নামতে দেখা যায় পরীমনি, জিমি ও অমিকে। কিছুক্ষণ পর গাড়ি থেকে বের হন বনিও। ক্লাবের রিসিপশনেও অমির সঙ্গে পরীমনিসহ অন্যদের ঢুকেতে দেখা যায়। সেখানে আগে থেকেই ছিলেন নাসির ইউ আহমেদ।

দেড় ঘণ্টা পর পরীমনীকে অচেতন অবস্থায় কোলে করে দৌড়ে বের হতে দেখা যায় জিমি ও একজন নিরাপত্তা প্রহরীকে। পেছন আসেন অমিও। ক্লাবে অমির কালো গাড়িতে গেলেও পরীমনি ফিরেছেন সাদা রঙের একটি গাড়িতে। এসময় অমি সাহায্যতো করেই নি উল্টো শাসিয়েছেন সবাইকে।

সেখান থেকে রাত তিনটা ৫২ মিনিটে বনানী থানায় আসেন পরীমনি। ডিউটি অফিসারের রুমেও তাকে অসুস্থ দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে বেরিয়ে যান। পুলিশ গাড়িতে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় পরীমনিকে।

ক্লাবের ভেতরে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকলেও ১৫ সেকেণ্ডের ফুটেজে ভাংচুর ও পরীমনিকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করতে শোনা যায় নাসিরকে। পরীমনির দাবি, জোর করে তাকে মদ পান করানো হয়েছিলো।

উল্লেখ্য ৯ জুন আশুলিয়ার বিরুলিয়ার তুরাগ নদীর ধারে নির্মিত বোট ক্লাবে পরীমনি মারধর ও লাঞ্ছনার শিকার হন। পরীমনি অভিযোগ করেন সেখানে নাসির ইউ মাহমুদ জোর করে তার মুখে মদ ঢেলে দেন। এই ঘটনায় পরীমনি বাদী হয়ে সাভার থানায় মামলা করলে গোয়েন্দা পুলিশ নাসির, অমি ও ৩ নারীকে উত্তরার একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করে। ক্লাবটিতে পরীমনিকে তার পূর্ব পরিচিত অমি নিয়ে যান।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: