যেভাবে পরীমনিকে ‘ফাঁদে’ ফেলেন অমি

omi

নিউজ ডেস্কঃ ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চিত্রনায়িকা পরীমনির করা মামলায় গ্রেফতার দুই আসামির মধ্যে অন্যতম তারই বন্ধু অমি। পরীমনিকে ফাদেঁ ফেলতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

জানা গেছে, সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে অমি নারী পাচারের ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। নারী পাচার দিয়ে উত্থান এই অমি পরীমনিকাণ্ডেরও অন্যতম হোতা। সিনেমা ব্যবসার লোভ দেখিয়ে পরীমনিকে দীর্ঘদিন দিন ধরে বশে আনার চেষ্টা করেন অমি।

৯ জুন ঘটনার দিন রাতে পরীমনির বাসায় যান অমি। ওই রাতে পরীমিন মূলত অমির গাড়িতে চড়ে বোট ক্লাবে যান।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি মশিউর রহমান বলেন, সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে অমির নারী পাচারের বিষয়টি আরও বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হবে।

প্রসঙ্গত, ৯ জুন মধ্যরাতে সাভারে অবস্থিত ঢাকা বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

পরীমনির ভাষ্য মতে, তাকে ওই ক্লাবে সুকৌশলে নিয়ে গিয়েছিলেন অমিই। বিষয়টি নাসিরের সঙ্গে পূর্বপরিকল্পনা করেই ঘটিয়েছেন অমি। তিনি যখন ক্লাবে নির্যাতিত হচ্ছিলেন তখন অমির ভূমিকায় বিস্মিত হন।

সোমবার সকালে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা করেন তিনি।

ওই দিনই প্রধান আসামি নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে মাদক ও ইয়াবা জব্দ করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  

Tags: