নেলসন ম্যান্ডেলা নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন কুমার শানু

সাবরিন জাহান:

পুরস্কার পাবেন এমনটা আগে থেকে জানতেন না তিনি। আমেরিকান ইউনিভার্সিটির সঙ্গে মিলিতভাবে নেলসন ম্যান্ডেলা নোবেল পিস অ্যাওয়ার্ড কমিটি পুরস্কার তুলে দেয় কুমার শানুর হাতে। ভারতের জনবহুল রাজ্য মহারাষ্ট্রের পুনে শহরে অনুষ্ঠিত হল নেলসন ম্যান্ডেলা নোবেল শান্তি পুরস্কার। আর এবারের পুরস্কার অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিদের মধ্যে কুমার শানু সহ ছিলেন ৯ জন ভারতীয়।

আমেরিকান ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে ২০০১ সালে সাম্মানিক ডক্টরেট উপাধি পেয়েছিলেন তিনি। জনপ্রিয় গায়ক নিজেই সামাজিক মাধ্যমে তার এই অর্জন এর কথা জানিয়েছেন।

৯০ দশকের গান মানেই উঠে আসে অতি জনপ্রিয় গায়ক কুমার শানুর নাম। মধ্যবিত্ত পরিবারের এই ছেলের জন্ম ১৯৫৭ সালের ২৩  সেপ্টেম্বর কলকাতায়। আমরা যাকে কুমার শানু নামে চিনি তার আসল নাম ছিল কেদারনাথ ভট্টাচার্য।

বিরাট কোনো সাফল্যের ভাবনা না থাকলেও সাফল্য কখনও তাঁর হাত ছেড়ে যায়নি। সময় বিশেষে বিভিন্ন অর্জন ঝুলিতে ভরেছেন তিনি। দেশবিদেশ থেকে পেয়েছেন অসংখ্য সম্মান। আর এবার আমেরিকার নেলসন ম্যান্ডেলা নোবেল পিস অ্যাওয়ার্ড এর অধিকারী হলেন তিনি।

১৯৮৬ সালে সঙ্গীতের জগতে আত্মপ্রকাশ শানু ভট্টাচার্যের। তারপর ১৯৮৯ সাল থেকে  ঠিকানা গড়েন মুম্বাই শহরে। ১০০টিরও অধিক সিনেমায় গান গেয়েছেন তিনি। বাংলা, হিন্দির পাশাপাশি মারাঠি, অসমিয়া সহ ১৫টিরও বেশি ভাষায় গান গেয়েছেন।

তার বিখ্যাত কিছু গান এর ভেতর আছে “আব তেরে বিন জিলেংগে হাম”, “নাজার কে সামনে জিগারকে পাস”, “মেরা দিল ভি কিতনা পাগল হে”, “দিল হে কে মানতা নেহি” “বাজিগরও বাজিগর”, “চুরা কে দিল মেরা”, “দিল কেহতা হে”, “পারদেশী পারদেশী”, “সাজান জী ঘড় আয়ে”, “লাড়কি বারি আনজানি হে”, “চান্দ সিতারে” সহ আরো অনেক জনপ্রিয় গান।

২০০৯ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে। তাঁর নামে আমেরিকায় ৩১ মার্চ তারিখটি পালন করা হয় কুমার শানু দিবস হিসাবে। কিছুদিন আগে মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে মহারাষ্ট্র সম্মান পুরস্কার দেওয়া হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3