হাবিপ্রবির তিন কৃতি শিক্ষার্থী
ক্যম্পাস প্রতিবেদক:
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে বাংলাদেশের এক স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীরা দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও তাদের কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে। আজ হাবিপ্রবির এরকমই কয়েকজন মেধাবী শিক্ষার্থীর কথা জানাচ্ছেন হাবিপ্রবি প্রতিনিধি ফিরোজ কবির কিরণ…
পুরো নাম অলিউল ইসলাম রাহী। ক্যাম্পাসে সবাই তাকে রাহী নামেই চিনতো। ছোটবেলা থেকেই ছিলেন প্রচন্ড মেধাবী। তখন থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন। রাজশাহী বিভাগীয় গনিত অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় রানার্স আপ হয়েছিলেন। এসএসসি ও এইচএসসিতে সাফল্যের সংঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তি হন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বি.এসসি ইন টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এ। এরপর স্কলারশিপ পেয়ে ২০১৪ সালে যান দক্ষিণ কোরিয়ায়। বর্তমানে সেখানকারঅ্যানডং ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মেকানিক্যাল এন্ড অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে মাষ্টার্স স্টুডেন্ট হিসেবে অধ্যায়নরত আছেন।এছাড়াও রিসার্চ অ্যাসিষ্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করছেন ম্যানুফ্যাকচারিং ইনফরমেশন ল্যাব এ। তার বর্তমান উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হল, ইমেজ প্রসেসিং এবং হিউম্যান কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশন এর উপর ছয়টি আন্তর্জাতিক প্রকাশনা।তিনি ২০১১ সালে মাইক্রোসফট ইমাজিন কাপে তার (Third Hand)এর প্রজেক্ট এর মাধ্যমে ১ম রানার্স আপ নির্বাচিত হন।
এবার যার কথা বলবো, তার নাম মো. ফতেহ আলী। ক্যাম্পাসে ফতেহ ভাই নামেই সমধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি হাজী মোহাম্মাদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৮ সালে কৃষি অনুষদে ভর্তি হন।
তিনি তার সম্পর্কে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম থেকেই আমি বিভিন্ন বৃত্তি সম্পর্কে খোজ খবর রাখতাম। আমাদের শিক্ষকদের বাইরের জীবন যাপনের অভিজ্ঞতা আমাকে ভীষন অনুপ্রাণিত করত। ২০১২ সালে হাবিপ্রবিতে বি.এসসি এজি (অনার্স) শেষ করে ২০১৩ সালে কৃষি বনায়ন বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি হই। একই বিভাগের ড. সফিকুল বারী স্যারের সঠিক নির্দেশনা আর সাহায্যের জন্যই আজকে আমার এই প্রাপ্তি। আমি বর্তমানে সুইডেনে সুইডিশ ইউনিভার্সিটি অফ এগ্রিকালচারাল সায়েন্স এ Plant Biology মাস্টার্স প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করছি। আমি সুইডেনে সুইডিশ ইন্সটিটিউট স্কলারশিপ নিয়ে এসেছি”। তিনি বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “র্ধৈর্য, সঠিক তথ্য ও পথ নির্দেশনা আর সাধনা থাকলে অবশ্যই স্কলারশিপ সম্ভব”।
হাবিপ্রবির আরেকজন মেধাবী শিক্ষার্থী হলেন উম্মে ফাতিমা স্বর্ণা। তিনি ২০০৯ সালে হাবিপ্রবির কৃষি অনুষদে বি.এসসি.এজি (অনার্স) কোর্সে ভর্তি হন। পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ এর জন্য স্বামীর (ফতেহ আলী) সাথেই বর্তমানে সুইডেনে বাস করছেন এবং উপসালা ইউনিভার্সিটির Genetics and molecular plant science বিষয়ে অধ্যয়ন করছেন।

