গাজায় ৪৫০ টি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, জীবন বাঁচাতে বাড়ি ছাড়ছেন ফিলিস্তিনিরা
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ফিলিস্তিনে ভয়াবহ আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এরই মধ্যে এই আগ্রাসন আরও জোরদার করেছে দখলদার বাহিনী।
গত সোমবার থেকে গাজা সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলার পর ভূমি থেকেও আর্টিলারি ফায়ার ও ট্যাংক দিয়ে গোলা ছোড়া হয়।
শুক্রবার রাতে ৪০ মিনিটে গাজার ১৫০টি লক্ষ্যবস্তুতে ৪৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র আভিচায় আদ্রায়ি শুক্রবার টুইটারে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইসরায়েল দখলদার বাহিনীর অব্যাহত বিমান হামলা ও অভিযানের মুখে আতঙ্কে জীবন বাঁচাতে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনিরা। এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার ফিলিস্তিনি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়ি ছেড়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা বলছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার অধিকাংশ লক্ষ্যবস্তু আবাসিকভবনগুলো। বোমা হামলা ছাড়াও ইসরায়েলি জঙ্গি বিমান থেকে আবাসিকভবন লক্ষ্য করে গুলি চালানো হচ্ছে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে বাড়ি ছাড়ছেন তারা।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা এক বিবৃতিতে জানায়, করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যেও জীবন বাঁচাতে নিজেদের বাড়ি ছেড়ে স্কুল, মসজিদ ও অন্যান্য স্থানে আশ্রয় নিচ্ছে ফিলিস্তিনিরা। এসব স্থানে পর্যাপ্ত পানি, খাবার, স্বাস্থ্যসেবার কোনো ব্যবস্থা নেই। নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো উপায়। হাসপাতালগুলোর বেশ কিছু সেবা ও সুপেয় পানি যোগান বিদ্যুতের ওপর নির্ভর করে। যেটা আসে মূলত জ্বালানি তেল থেকে। আগামী রবিবারের মধ্যে ওই এলাকায় জ্বালানি তেলে সংকট দেখা দেবে।
এমন অবস্থায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এবং ফিলিস্তিন গ্রুপগুলোকে অবিলম্বে সেখানে জাতিসংঘ এবং এর মানবিক অংশীদারদের জ্বালানি, খাদ্য ও চিকিত্সা সেবা সরবরাহ করতে এবং মানবিক কর্মী মোতায়েনের অনুমতি দেবে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘ।

