শিক্ষকদের চেয়ে কম বেতন পান ভারতের প্রেসিডেন্ট, সমালোচনা!
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মাসে ৫ লাখ টাকা বেতন পান ভারতের প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দ। এর মধ্যে করই দিতে হয় পৌনে ৩ লক্ষ টাকার। তাতে যা বাঁচে, অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা তো বটেই, শিক্ষকদের রোজগারও তার চেয়ে বেশি। এ কথা কোবিন্দ নিজেই জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন কোবিন্দ। সেই সময় প্রেসিডেন্টর বেতন মাসিক দেড় লাখ টাকা ছিল, যা তৎকালীন মন্ত্রিসভার কোনও সচিবের বেতনের চেয়ে ১ লক্ষ টাকা কম ছিল।
সপ্তম বেতন কমিশন চালু হওয়ার পর সে বছর অক্টোবরে প্রেসিডেন্টর বেতন বাড়িয়ে মাসিক ৫ লক্ষ টাকা করা হয়। শুধু তাই নয়, অবসর নেওয়ার পর মাসে দেড় লক্ষ টাকা করে পেনশন বরাদ্দ হয়েছে প্রেসিডেন্ট জন্য। এমনকি আইনত যিনি প্রেসিডেন্টর জীবনসঙ্গী, তার জন্যও প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
এছাড়াও, সাজানো বাংলো, বিমানূল্যে দু’টি ল্যান্ডলাইন এবং একটি মোবাইল, এক জন সচিব-সহ ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ৫ কর্মী, কর্মীদের উপর খরচের জন্য বার্ষিক ৬০ হাজার টাকা, একজন সঙ্গীকে নিয়ে বিনামূল্যে বিমান ও ট্রেনে যাত্রার পরিষেবা পাবেন প্রেসিডেন্ট।
তবে ভারতের প্রেসিডেন্টের সেই বক্তব্য ঘিরে ভার্চুয়াল জগতে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। সরকারি কর্মকর্তা বিশেষ করে শিক্ষকদের রোজগার তার চেয়ে বেশি বলে দাবি করার বক্তব্যটি ঘিরে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
দেবেন্দ্র যাদব লেখেন, ‘বুঝলাম না।
১) বেতন করমুক্ত হওয়া সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট কেন ৫৫ শতাংশ কর দিচ্ছেন।
২) কোন শিক্ষক ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা বেতন পাচ্ছেন, আর প্রেসিডেন্টকে কর দিতে হচ্ছে।’
এ নিয়ে কংগ্রেসের জাতীয় কার্যনির্বাহক নীরজ ভাটিয়া প্রশ্ন তোলে লেখেন, ‘১৯৫১ সালের প্রেসিডেন্টর বেতন এবং পেনশন ধারায় যে তার বেতন করমুক্ত, তা দেশের প্রথম নাগরিক জানেনই না?’

