৪ বছরের কম বয়সী শিশুরাও অমিক্রনে আক্রান্ত

নিউজ ডেস্ক:

দক্ষিণ আফ্রিকা ওমিক্রন ধরনের সংক্রমণের মধ্য দিয়ে করোনা মহামারির চতুর্থ ঢেউয়ে প্রবেশ করেছে। তবে হাসপাতালগুলোতে এখনো চাপ তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জো ফাহলা। আজ শুক্রবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

কঠোর লকডাউনের মতো পদক্ষেপ ছাড়াই অমিক্রনের হাত থেকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সুরক্ষা দেওয়া যাবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “আমরা চতুর্থ ঢেউ সামাল দিতে পারব। আমরা ওমিক্রন সামলে নিতে পারব। এ ক্ষেত্রে মূল করণীয় সম্পর্কে আমরা জানি। সামনে আমাদের উৎসবের মৌসুম আছে।”

জো ফাহলা বলেন, “দক্ষিণ আফ্রিকার নয়টি প্রদেশের মধ্যে সাতটিতে নতুন এ ধরনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। আশা করা হচ্ছে, এ ধরন খুব বেশি মানুষের প্রাণ নিতে পারবে না।”

তিনি দেশবাসীকে টিকার দুই ডোজই নেওয়ার আহ্বান জানান। বলেন, এটিই ওমিক্রনের বিরুদ্ধে সেরা সুরক্ষা।

দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিজেসের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী মিচেল গ্রুম বলেন, “খুব অল্প সময়ের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রন সংক্রমণ নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে। এই সংক্রমণ কম বয়সীদের কাছ থেকে বয়স্কদের মধ্যে ছড়াচ্ছে।”

মিচেল গ্রুম আরোও বলেন, “হাসপাতালে শিশুদের জন্য শয্যা প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন। কারণ, চার বছরের কম বয়সী রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।”

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজি আল–জাজিরাকে বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা যা দেখতে পাচ্ছি, তাতে মনে হচ্ছে ওমিক্রন খুব বেশি ভয়ংকর রূপ নিতে পারবে না। এই ধরনটি দেখে মনে হচ্ছে, এটি খুব দ্রুত ছড়ায় এবং এখন পর্যন্ত আমরা এই ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যে উপসর্গ দেখছি, তা খুবই সামান্য। কিন্তু আমাদের এ নিয়ে সচেতন থাকতে হবে। কারণ, আমরা জানি না, কোন রোগীর অবস্থা খারাপ হবে, আর কার হবে না। এ বিষয়ে আগামী দিনগুলোতে তথ্য জানা যাবে।”

সূত্র: আল–জাজিরা

  •  
  •  
  •  
  •